রিশাদ হোসেন কি মাশরাফি বিন মর্তুজা হতে চান? রিশাদ কি মাশরাফি হতে পারবেন? এমন প্রশ্ন দেখে অনেকেই ভড়কে যেতে পারেন। দুজনের পথ যে ভিন্ন দুই সময়ের। তবে এমন প্রশ্নের পেছনের কারণটা কি? উত্তরটা দুই নম্বর জার্সি।
বাংলাদেশের ক্রিকেটে এই দুই নম্বর জার্সির মাহাত্ম্যটা যে বিশাল। ওটা পরেই যে কৌশিকের মাশরাফি হয়ে ওঠা। লাল-সবুজের জার্সি গায়ে জড়িয়ে কত শত অর্জনের ডায়েরি লেখা। ওটাই তো দিনশেষে এক অনুপ্রেরণার গল্প। যা পড়ে কতজনই জার্সির পেছনে বসিয়েছেন ওই দুই নম্বর।
এবার একটু রিশাদের গল্পে আসা যাক। দেশের ক্রিকেটে লেগ স্পিনার বড় সম্পদ। এই ধারণা সবার মুখে মুখে থাকলেও বাস্তবিক অর্থে কেউ লেগ স্পিনারকে সুযোগ দেওয়ার ওই রিস্কটা নিতে চান না। যেমনটা ঘটেছে রিশাদের বেলায়ও। বারবার উপেক্ষিত হয়েছেন, ঘরোয়া লিগেও অধিকাংশ সময় ডাগআউটে বসেই দেখতে হয়েছে ম্যাচ। বিপিএলে দল পেলেও সুযোগটা ছিল খুব সীমিত।

তবে রিশাদ বড় হতে চেয়েছিলেন। যতটুকু সুযোগ এসেছে তা দক্ষ শিকারির মতো কাজে লাগিয়েছেন। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে রিশাদ হয়ে উঠেছেন এক ভরসার নাম। এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোতেও কদর বেড়েছে তাঁর।
রিশাদের জার্সি নম্বর ২২। এটা পরেই ক্রিকেটের সবুজ গালিচায় তাঁর পদচারণা। তবে বিগ ব্যাশে গিয়েই যেন বদলে গেল সবকিছু। বদলে গেল জার্সির নম্বরটাও, ২২ নয়, দুই নম্বর জার্সি পরেই মাঠে নামবেন হোবার্ট হারিকেন্সের হয়ে। আর তাতেই প্রশ্নটার উত্থান, রিশাদ কি জাতীয় দলেও ওই দুই নম্বর জার্সি চান?
ক্রিকেটসত্তার বাইরে গিয়ে মাশরাফি তো এক অন্যরকম চরিত্র। বুকভরা সাহস যার চোখে খেলা করে, হারার আগে হারতে নেই, শেষ পর্যন্ত লড়ে যেতে হবে, এমন সব প্রেরণার কেন্দ্রীয় চরিত্র যে তিনি। রিশাদও তো সেই পথেই হাঁটছেন, যার প্রতীক হতেই পারে ওই দুই নম্বর জার্সি।

Share via:











