রনির লড়াই থামবে না

ম্যাচের মোমেন্টাম চেঞ্জে বড় অবদান রনির। অবশ্য, তাতে অবশ্য তাঁর ভাগের পরিবর্তন হবে না। বিপিএলে বরাবরের মত এবারও রান পাচ্ছেন। তাতে হয়তো জাতীয় দলের দরজা খুলবে না। তবে, লড়াই করাটা নিশ্চয়ই থামাবেন না রনি তালুকদার। 

এই বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগটাই (বিপিএল) আসলে রনি তালুকদারের মঞ্চ। এই ফ্র্যাঞ্চাইজি আসর খেলেই তিনি এসেছিলেন জাতীয় দলে। টি-টোয়েন্টির আন্তর্জাতিক ময়দানে নিজেকে প্রমাণও করেছিলেন। তবে, দ্রুতই হারিয়ে যান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর জন্য খুব বেশি বিনিয়োগ করতে নারাজ ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

তবে, রনি তালুকদারের নিজের যেটা কাজ সেটা তিনি করে যাচ্ছেন সযত্নে। বিপিএলে সিলেট স্ট্রাইকার্সের হয়ে আরেকটি হাফ-সেঞ্চুরি পেয়ে গেলেন। এবারের বিপিএলে নিজের শুরুর প্রতিচ্ছবিই যেন এই ইনিংস।

ধীর গতির শুরুর পর হঠাৎই ঝলসে ওঠেন। একটা সময় ১০ বলে রান ছিল দুই। দ্বিতীয় ১০ বলে করেন ১১ রান। প্রথম ২০ বলে করেন ১৩ রান। এরপরই তিনি হাত খোলেন। জাকির হাসানের সাথে দারুণ এক জুটি গড়েন। দু’জনই টার্গেট করেন ডান-হাতি স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজকে।

রনির ইনিংস থামে ৪৪ বলে ৫৬ রান করে। ইনিংসে ছিল দু’টি ছক্কা আর পাঁচটি চার। মাত্র ১৫ রান তুলতেই দুই উইকেট হারায় সিলেট। সেখান থেকে ম্যাচে ফিরতে বড় জুটির দরকার ছিল তাঁদের। আর সেই জুটির কাজটা করেন এই দুই ব্যাটার। তৃতীয় উইকেট ‍জুটিতে যোগ করেন ১০৬ রান।

ম্যাচের মোমেন্টাম চেঞ্জে বড় অবদান রনির। অবশ্য, তাতে অবশ্য তাঁর ভাগ্যের পরিবর্তন হবে না। বিপিএলে বরাবরের মত এবারও রান পাচ্ছেন। তাতে হয়তো জাতীয় দলের দরজা খুলবে না। তবে, লড়াই করাটা নিশ্চয়ই থামাবেন না রনি তালুকদার।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link