সুপার ফোরে পা দিয়েই যেন অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশ। শেষ ওভারের নখ কামড়ানো রোমাঞ্চ ছড়িয়ে ম্যাচ জিতেছে টাইগাররা। শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে জ্বালিয়ে দিল ফাইনাল খেলার সম্ভাবনা।
সুপার ফোরের মহারণ, ভাগ্যটা সহায় হলো লিটন দাসের। টস জিতলেন, কোন দ্বিধা না রেখেই ফিল্ডিং বেছে নিলেন। কারণ দর্শনে বললেন এই মাঠে চেজ করে জেতার সংখ্যাটাই বেশি।
তবে শুরুটা কোনো দিক থেকেই বাংলাদেশের জন্য ভালো হলো না। পাথুম নিশাঙ্কা আর কুশল মেন্ডিস শুরু থেকেই রান তুলতে লাগলেন সমান তালে। ইনিংসের পঞ্চম ওভারের মাথায় তাসকিন এলেন ত্রাতা হয়ে। ২২ রানে থামলেন নিশাঙ্কা, ততক্ষণে স্কোরবোর্ডে ৪৪ রান তুলেছে শ্রীলঙ্কা।

চোখ রাঙানি দেওয়া কুশল মেন্ডিসকে ৩৪ রানে থামিয়ে দেন শেখ মেহেদী। কামিল মিশারাকেও ফেরান তিনি। মেহেদী নিজের চার ওভারে ২৫ রানে নেন দুই উইকেট। ১০০ রানের আগেই চার উইকেট তুলে নিয়ে লঙ্কানদের রানের লাগাম টেনে ধরে বাংলাদেশ।
তবে এরপরই ওঠে দাসুন শানাকার ঝড়। দোর্দণ্ড প্রতাপে বলকে পাঠাতে থাকেন বাউন্ডারির বাইরে। পূরণ করেন ফিফটি। সে সময়টাতে মনে হচ্ছিল শ্রীলঙ্কার স্কোর অনায়াসে ১৯০ ছুঁয়ে ফেলবে।
তবে মুস্তাফিজের ১৯তম ওভারে তুলে নেওয়া দুই উইকেটের কল্যাণে লঙ্কানরা থামে ১৬৮ রানে। চার ওভার হাত ঘুরিয়ে ২০ রান দিয়ে মুস্তাফিজের শিকার তিন উইকেট।

দুবাইয়ের এই উইকেটে ১৬৯ রানের টার্গেট চেজ করে জেতাটা খুব কঠিন কিছু না। তবে শুরুতেই তানজিদ তামিমের ব্যর্থতায় শঙ্কা জেগে ওঠে। এরপর দৃশ্যপট বদলে দেয় লিটন-সাইফ জুটি, আসে ৫৯ রান।












