প্রথমবারের মতো রোহিত শর্মাকে ছাড়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নামবে ভারত। সেই ২০০৭ সাল থেকে গোটা নয়টা আসরেই অংশ নিয়েছেন রোহিত। যাত্রাটা শেষ করেছেন শিরোপা ছুঁয়েই।
ওপেনার হিসেবে রোহিতের নিঃস্বার্থ ও বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ের অভাব ভালোভাবেই পূরণ করছেন অভিষেক শর্মা। কিন্তু প্রশ্নটা ব্যাটিং নয়, নেতৃত্ব। বিশ্বজয়ী রোহিতকে কি নেতৃত্বের জায়গায় বেশিই মিস করবে ভারত? নাকি সবটায় পুষিয়ে দেবেন সুরিয়াকুমার যাদব।
ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন সেই সাথে ঘরের মাঠ, স্বাভাবিকভাবেই এবারের আসরে ভারতের ওপর চাপটাও ভিন্ন মাত্রায়। এক্ষেত্রে রোহিত ছিলেন এক শান্ত কৌশল নির্মাতা। দারুণ ম্যান ম্যানেজমেন্ট, বোলারদের বুঝতে পারা এবং চরম মুহূর্তে উপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা ছিল তাঁর বড় শক্তি। বুমরাহ তো রীতিমতো তাকে বোলারদের অধিনায়ক হিসেবেও অ্যাখ্যা দিয়েছেন।

রোহিতের শান্ত শরীরী ভাষা চাপ কমিয়ে দিত বোলারদের জন্য। রোহিত-দ্রাবিড় যুগকে ভারতের সবচেয়ে পরিসংখ্যান নির্ভর পরিকল্পনা পর্ব হিসেবেও দেখা হয়। ম্যাচের আগে গভীর রাতে বিশ্লেষকের কাছে নির্দিষ্ট ডাটা চাওয়ার অভ্যাস ছিল রোহিতের।যা তাঁর প্রস্তুতির গভীরতাকেই স্পষ্ট করে।
ভারতের হয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১৪ ম্যাচে অধিনায়কত্ব করে ১২ টিতেই জিতেছেন রোহিত। জয়ের শতাংশ ৮৫.৭! যা দশের অধিক ম্যাচে নেতৃত্ব দেওয়া অধিনায়কদের মধ্যে সর্বোচ্চ। দীর্ঘদিন যাবৎ রোহিতের নেতৃত্বে ভারতীয় দল ও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে খেলার সুবাদে তাঁর থেকে অনেক কিছুই শিখেছেন সুরিয়াও।
সুরিয়ার নেতৃত্বেও ভারত টি-টোয়েন্টিতে সময়ের সেরা ফর্মে রয়েছে। শেষ আটটি টি-টোয়েন্টি দ্বিপাক্ষিক সিরিজে একটিও হারেনি ভারত। লুফে নিয়েছে এশিয়াকাপটাও। বিশ্বমঞ্চের চাপ সামলে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারার চ্যালেঞ্জটাই থাকবে সুরিয়ার ওপর।











