প্রেমাদাসার স্পিন ব্যাটেলে মুখ থুবড়ে পড়ল শ্রীলঙ্কা। নিউজিল্যান্ডকে কোণঠাসা করেও তারা জলাঞ্জলি দিল নিজেদের সেমিফাইনাল খেলার স্বপ্ন। ওদিকে প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে রাচিন রবীন্দ্রের ঘূর্ণি জাদুতে সেমির স্বপ্ন উজ্জ্বল হয়েছে নিউজিল্যান্ডের।
জিতলে পারলে বেঁচে থাকবে সেমিফাইনাল খেলার আশা। এমন ম্যাচে টসে জিতে শ্রীলঙ্কার বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত। ফলপ্রসূ হতেও সময় নেয়নি। দুশমন্থ চামিরা ও মাহিশ থিকসানার যুগলবন্দীতে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং অর্ডার হয়ে যায় নড়বড়ে। কিন্তু রাচিন রবীন্দ্রের ২২ বলে ৩২ রান ব্ল্যাকক্যাপসদের সংগ্রহকে একেবারেই ঠুনকো হতে দেয়নি।
মিচেল স্যান্টনার ও কোল ম্যাককঞ্চি খেলাটা টেনে গভীরে নিয়ে গেলেন। থিকসানা, চামিরা দুইজনই শেষ দিকে খেই হারালেন। আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে শেষ চার ওভারে নিউজিল্যান্ড স্কোরবোর্ডে তোলে ৭০ রান তোলে। অধিনায়ক স্যান্টনার ২৬ বলে ৪৭ রান করে আউট হন, ম্যাককঞ্চি অপরাজিত থেকেছেন ২৩ বলে ৩১ রান করে।

তাতে করে থিকসানার দারুণ বোলিংয়ের ফলে প্রাপ্ত তিন উইকেট বৃথা যায়। ম্লান হয় চামিরার তিন শিকারও। রানতাড়ায় ইনিংসের প্রথম বলেই ম্যাট হেনরি আঘাত হানেন শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং অর্ডারে। বোল্ড হন পাথুম নিসাঙ্কা। ২৯ রানের মাথায় চার উইকেট হারিয়ে তখন বেজায় বিপাকে শ্রীলঙ্কা।
লঙ্কানদের মেরুদণ্ড ভাঙার কাজটা হেনরি শুরু করলেও, রাচিন রবীন্দ্রের ঘূর্ণি মূল কাজটা করে দিয়েছে। চার খানা ব্যাটারকে তিনি প্যাভিলিয়নে ফিরিয়েছেন একটানা তিন ওভারের স্পেলে। ৭৭ রানের সাত উইকেট হারানো শ্রীলঙ্কা কামব্যাক করা সমস্ত সুযোগ হারায়। শেষ অবধি অলআউট না হলেও, ১০৭ রানে থামে শ্রীলঙ্কার লড়াই।
প্রায় হেরে যাওয়ার ম্যাচটাকে পুরো ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরিয়ে ৬১ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে নিউজিল্যান্ড। এতে করে তাদের সেমিফাইনালে খেলার স্বপ্ন হয়েছে আগের যেকোন সময়ের চাইতে দ্বিগুণ উজ্জ্বল। শেষ ম্যাচে, পাকিস্তানের বড় জয়, ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের বড় পরাজয় কেবল নিউজিল্যান্ডকে ছিটকে দিতে পারে সেমির পথ থেকে। কাজটা বলা যত সহজ করা ততই কঠিন।












