রুটের দৃঢ়তায় ইংল্যান্ড সমতায়

জো রুটের দৃঢ়তার সামনে পরাস্ত হতে হল লঙ্কানদের। দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে সিরিজ জমিয়ে তুলেছে সফরকারীরা।

জো রুটের দৃঢ়তার সামনে পরাস্ত হতে হল লঙ্কানদের। দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে সিরিজ জমিয়ে তুলেছে সফরকারীরা। শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছে ইংল্যান্ড পাঁচ উইকেটের ব্যবধানে। মাঝারি মানের সংগ্রহকে আর নিজেদের জয়ের জন্য যথেষ্ট বানাতে পারেনি স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা।

এদিন আবারও টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন শ্রীলঙ্কান অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কা। প্রথম ম্যাচে প্রেমাদাসায় জয় মঞ্চস্থ হয়েছিল প্রথমে ব্যাটিং করে। ইংলিশরা উইকেটের আচরণ হয়ত বুঝতে ভুল করেছিলেন। তাছাড়া লঙ্কান বোলিং ইউনিটও দুর্ধর্ষ বোলিংয়ে সফরকারীদের অলআউট করেছে ২৫২ রানে। তাতে ১৯ রানের জয় যুক্ত হয়েছিল লঙ্কানদের নামের পাশে।

সেই ধারা অব্যাহত রাখতে চেয়েছিলেন আসালাঙ্কা। কিন্তু এদিন সবকিছু আর তার পক্ষে গেল না। ধনঞ্জয়া ডি সিলভার ৪০ রান ও অধিনায়ক আসালাঙ্কার ৪৫ রান ছাড়া আর কেউই তেমন বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। তাতে করে ২১৯ রানে থামে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহের অভিযাত্রা। জেমি ওভারটন, আদিল রশিদ ও জো রুট দুইটি করে উইকেট বাগিয়ে নেন।

জবাব দিতে নেমে ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা সতর্ক শুরুই করার প্রচেষ্টা চালায়। ২০ রানের মাথায় রেহান আহমেদের বিদায়ের পর বেন ডাকেট ও জো রুট ৬৮ রানের জুটি গড়েন। এরপর আবার রুট ও হ্যারি ব্রুক মিডল ওভারে দৃঢ়চিত্তে জুটি গেড়ে বসে যান বাইশ গজে। শ্রীলঙ্কার মাটিতে নিজের দ্বিতীয় শতকের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছিলেন রুট।

তবে তাকে থামতে হয়েছে ৭৫ রানে। তার আগে ব্রুকের সাথে গড়া ৮১ রানের জুটিটি, ইংল্যান্ডের জয়ের পথটা মসৃণ করে দেয়। তবে রুট হয়ত আক্ষেপই করতে পারেন, সেঞ্চুরি তুলে নিতে না পারায়। কেননা লঙ্কান মাটি তার জন্য ভীষণ পয়া। দশের অধিক ম্যাচ খেলা ব্যাটারদের মধ্যে শ্রীলঙ্কার মাটিতে গড় সবচেয়ে বেশি জো রুটের।

সফরকারী ব্যাটারদের মধ্যে ওয়ানডেতে এখন অবধি রুট ব্যাটিং করেছেন ৬৪.৯০ গড়ে। লঙ্কান দ্বীপপুঞ্জে তার পাঁচটি ফিফটি থাকলেও, সেঞ্চুরি আছে মোটে একটি। তবে দলের জয় গড়ে দিতে পারাটাই বরং মুখ্য বিষয়। এই জয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়ে আনল ইংল্যান্ড। সিরিজের তৃতীয় ম্যাচ তাই অলিখিত ফাইনাল।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link