শ্রীলঙ্কাকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা দিল ইংল্যান্ড!

সহজ সুযোগটাও লুফে নিতে পারল না শ্রীলঙ্কা। জ্যাকব বেথেলের অপ্রত্যাশিত ঘূর্ণিতে লঙ্কানদের হোয়াইটওয়াশের করল ইংল্যান্ড। ব্যাটিং ব্যর্থতার মূল্য চোকাতে হলো লজ্জা পেয়ে।

সহজ সুযোগটাও লুফে নিতে পারল না শ্রীলঙ্কা। জ্যাকব বেথেলের অপ্রত্যাশিত ঘূর্ণিতে লঙ্কানদের হোয়াইটওয়াশের করল ইংল্যান্ড। ব্যাটিং ব্যর্থতার মূল্য চোকাতে হলো লজ্জা পেয়ে।

ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর টি-টোয়েন্টিতেও সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে হ্যারি ব্রুকের নেতৃত্বাধীন ইংল্যান্ড দল। তবে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এসে যেন শুরু থেকেই রচিত হয় ভিন্ন গল্প।

ম্যাচের প্রথম থেকেই সুশৃঙ্খল বোলিংয়ের কল্যাণে ইংলিশ ব্যাটারদের চাপে রাখে লঙ্কান বোলাররা। যার মূল নায়ক ছিলেন দুশমন্থ চামিরা। ব্রুকদের সামনে যেন অপ্রতিরোধ্য রূপে হাজির হন তিনি। গুঁড়িয়ে দেন ইংল্যান্ডের ব্যাটিং অর্ডার। নামের পাশে জ্বলজ্বল করে ওঠে ফাইফার।

১১ ওভার শেষে ইংলিশ স্কোরবোর্ডে তখন ৬৫ রান, নেই ছয় ব্যাটার। সেখান থেকে ইনিংস মেরামতের আপ্রাণ চেষ্টা চালান স্যাম কারান। তাঁর ফিফটির কল্যাণে ১২৮ রানের পুঁজি পায় ইংল্যান্ড।

১২৯ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নামা শ্রীলঙ্কাকে প্রথম ওভারেই প্রথম ধাক্কাটা দেয় লুক উড। রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় হলেন কামিল মিশারা। পাওয়ারপ্লেতেই ড্রেসিং রুমে ফেরেন পাথুম নিশাঙ্কাও। ছয় ওভার শেষে দুই ওপেনার হারিয়ে লঙ্কানদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪৬ রান। উইকেট হারালেও সবার একটু আধটু অবদানে সহজ জয়ের পথেই এগোতে থাকে স্বাগতিকরা।

১৭ ওভার শেষে শ্রীলকার বোর্ডে তখন ছয় উইকেট হারিয়ে ১০৮ রান। জয়ের জন্য প্রয়োজন ২১ রান। উইকেটে তখনও অধিনায়ক দাসুন শানাকা ও ওয়েল্লালাগে। জ্যাকব বেথেলকে আক্রমণে আনার সাহসী সিদ্ধান্ত নেয় ব্রুক।

আর সেই বেথেল একাই যেন ঘুরিয়ে দেন ম্যাচের দৃশ্যপট। এর আগে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে একটিও উইকেট না নেওয়া বেথেল এই এক ওভারেই তুলে নেন একে একে ওয়েল্লালাগে, চামিরা এবং শানাকার উইকেট।

নয় উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ততক্ষণে ছিটকে যায় শ্রীলঙ্কা। উনিশতম ওভারে এসে থিকসানার উইকেটও তুলে নেন বেথেল। তাতেই ১২ রানের পরাজয় সঙ্গী হয় লঙ্কানদের। বিশ্বকাপের আগে হতাশা ও আক্ষেপ নিয়েই সিরিজ শেষ করে তারা।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link