এক ম্যাচ হেরেই টালমাতাল শ্রীলঙ্কা শিবির। সনাথ জয়াসুরিয়ার রাতের ঘুম নষ্ট হয়ে গিয়েছে। অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কার অবস্থাও তাই। বাংলাদেশ দল কোনো ফরম্যাটেই যে এখন পাল্টা জবাব দিতে জানে, সেটা এই শ্রীলঙ্কান ম্যানেজমেন্টের ভাবনারও বাইরে ছিল। তার ওপর প্রথম ম্যাচ হেরে যাওয়ার পরও যে মেহেদী হাসান মিরাজের দল ‘বাউন্স ব্যাক’ করতে পারে, সেটা কল্পনাও করেনি স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা।
এইচডি কোয়ালিটির ছবির মত চকচকে পাল্লেকেলে ক্রিকেট স্টেডিয়াম। স্টেডিয়ামের দুই পাশে পাহাড়। সবুজ গ্যালারির সমারোহ। কিন্তু, শ্রীলঙ্কা দলের সেদিকে নজর দেওয়ার সময় কোথায়। গা গরমের ফুটবল শেষেই ঐচ্ছিক অনুশীলনের দিন দল নিয়ে মাঠে নেমে গেলেন প্রধান কোচ সনাথ জয়াসুরিয়া।

অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কাকে সাথে নিয়ে চলে গেলেন সেন্টার উইকেটে। বেষ্টনি নিয়ে আলাদা করে রাখা দু’টো উইকেট। কোন উইকেটে খেলা হবে সেটা তাই এখনও পরিস্কার নয়। তবে, বাম পাশের উইকেটের ওপর দাঁড়িয়ে লম্বা সময় কথা বললেন জয়াসুরিয়া ও আসালাঙ্কা, তাঁদের সঙ্গী পিচ কিউরেটর।
কাগজে কলমের হিসাবে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলল তাঁদের জরুরী বৈঠক। রুদ্ধশ্বাস বৈঠক। জয়াসুরিয়ার চেহারা দেখেই বোঝা গেল, বাংলাদেশের জয়কে তিনি সহজ ভাবে নিতে পারেননি। তৃতীয় ওয়ানডের আগে তিনি যে করেই হোক দলের জয় নিশ্চিত করতে চান।

এর আগে উইকেট কেমন হবে সেই নিয়ে ধারণা পেতে চান, স্বাগতিক বলে উইকেটের ধরণও তাঁদের মন মত হওয়া চাই। সেই চাওয়াটাই নিশ্চয়ই তিনি জানিয়ে দিলেন পিচ কিউরেটর আসিথা বিজয়সিংহেকে। বৈঠক শেষে কোচ আলাদা করে কথা বললেন অধিনায়কের সাথে। এবার উইকেটের আচরণ বুঝে একাদশ সাজানের পালা।
শ্রীলঙ্কা দল নিজেদের পূর্ণ শক্তি নিয়েই তৃতীয় ওয়ানডের আগে আবির্ভূত হবে। সেই লক্ষ্যে সনাথ জয়াসুুরিয়া বেশ সিরিয়াস। তিনি সিরিজ জিততে মরিয়া। বাংলাদেশ কি পারবে মাতারা হারিকেনের মুখের হাসির আরেকবার মলিন করে দিতে?











