আম্পায়ার শাফির বিতর্কিত সিদ্ধান্তে ছক্কা হারাল শ্রীলঙ্কা

একবার ছক্কার সিদ্ধান্তও নিতে দেখা যায়। আবার সুরিয়াকুমার যাদব এসে কথা বলার পর সেই সিগনাল বদলে ডেড বলে পরিণত হয়। সেটাও আবার সুরিয়া নিজেই সিগনাল দিয়ে নিশ্চিত করেন। খামখেয়ালি আম্পায়ার নিজে থেকে পরিপূর্ণ একটা সিগন্যাল দেওয়ার প্রয়োজনও বোধ করেননি।

ভারত ও আম্পায়ারের ভুলে একটা জগাখিচুড়ি লাগল দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে। ‘নিশ্চিত একটা ছক্কা থেকে বঞ্চিত হল শ্রীলঙ্কা দল। ব্যাটার, বোলার, আম্পায়ার খেলতে তৈরি হয়ে যাওয়ার পর মাঠে ১২ জন ফিল্ডার দেখে ‘ডেড বল’ ডাকলেন আম্পায়ার, অথচ ডাকার কথা ছিল নো-বল। না হলে, বল শুরুর আগেই থামানো উচিৎ ছিল বোলারকে।

ঘটনাটা ছিল একেবারেই নাটকীয়। ঠিক যখন বল ছাড়তে যাচ্ছেন রহস্য স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী , তখনই আম্পায়ার আফগান আম্পায়ার ইজাতুল্লাহ শাফি ডেড বলের ইশারা দিলেন। ঘটনা কি? এটুকুতে সমস্যা ছিল না। ততক্ষণে বরুণ বলটা ছাড়েনও, পাথুম নিশাঙ্কা সেটাকে তুলে মারলেন লং-অনে।

সমস্যা হল, যখন ডেড-বল ডাকা হয় তখন ইতোমধ্যেই বলের লাইনে চলে গেছেন বোলার। ব্যাটার নিশাঙ্কাও স্বাভাবিক ভাবেই বোলারের দিকেই চোখ রেখেছেন, আম্পায়ারের দেওয়া সিগনালে নয়। লং অনে  ছিলেন অক্ষর প্যাটেল। পাথুমের ব্যাট হয়ে আসা ক্যাচটা ছিল হাতের নাগালেই—সহজতম সুযোগ ভারতের জন্য। কিন্তু, অক্ষরের আঙুল ফসকালো, তালুর ওপর দিয়ে বল চলে গেল সীমানার বাইরে, ছক্কা!

মাঠে তখন যেন ধাক্কা খেল ভারতের ডাগআউট।  কিন্তু, এক মুহূর্ত পরেই স্পষ্ট হল আসল চিত্র। আম্পায়ার শাফি দেখেছেন, সেই সময় অভিষেক শর্মা তখনও মাঠ ছেড়ে পুরোপুরি বের হননি। সেই ভুল শ্রীলঙ্কার নয়, ভারতের। নিয়ম অনুযায়ী তাই বলটা গণনা হবে না। নো বল ডাকা হবে।

কিন্তু, আম্পায়ার শাফি ডেড বলের ইশারা করে দিলেন। বরুণ আর অক্ষরের ভুলে জন্ম নেওয়া ছক্কাটা তাই থেকে গেল বাতিলের খাতায়। ‘ভিলেন’ হওয়ার হাত থেকে বাঁচলেন অক্ষর প্যাটেল। কিন্তু, কাঠগড়ায় উঠলেন আম্পায়ার শাফি।

আম্পায়ার শাফি দ্বিধায় ছিলেন, লেগ আম্পায়ার  বাংলাদেশের গাজী সোহেলের সাথে কথা বলেন। একবার ছক্কার সিদ্ধান্তও নিতে দেখা যায়। আবার সুরিয়াকুমার যাদব এসে কথা বলার পর সেই সিগনাল বদলে ডেড বলে পরিণত হয়। সেটাও আবার সুরিয়া নিজেই সিগনাল দিয়ে নিশ্চিত করেন। খামখেয়ালি আম্পায়ার নিজে থেকে পরিপূর্ণ একটা সিগন্যাল দেওয়ার প্রয়োজনও বোধ করেননি।

Share via
Copy link