মিচেল স্টার্ক ‘দ্য স্টার পারফরমার’। গ্যাবা টেস্টেও চালকে আসনে অস্ট্রেলিয়া। এর পেছনের কার রয়েছে সবচেয়ে বড় ভূমিকা? এমন প্রশ্নের উত্তরে স্টার্কের নামটাই সামনে আসবে। বল হাতে ইংল্যান্ডকে রক্তচক্ষু দেখানো স্টার্ক, ব্যাট হাতেও ছিলেন দূর্দান্ত। দলের পক্ষে তারই রান ছিল সর্বোচ্চ।
অ্যাশেজ টেস্টের দ্বিতীয় টেস্টেও অস্ট্রেলিয়ার হাতে রয়েছে ম্যাচের লাগাম। তৃতীয় দিন শেষে ইংল্যান্ড ৪৩ রানে পিছিয়ে আছে। অস্ট্রেলিয়াকে এই অবস্থানে নিয়ে আসার অন্যতম কারিগর মিচেল স্টার্ক। প্রথম ইনিংসে বল হাতে তার শিকার ছয় উইকেট। সেখানেই বরং ইংল্যান্ডের পরিকল্পনার ভীত নড়ে যায়।
এরপর ব্যাট হাতে তাদেরকে আরও বেশি নড়বড়ে করে দেন স্টার্ক। ১৪১ বলের একটা প্রতিরোধ গড়া ইনিংস খেলেন অজি পেসার। ৭৭টি রান যুক্ত করেন তিনি নিজের নামের পাশে। সেই রানটুকু অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহকে ৫০০ রানের গণ্ডি ছাড়াতেও ভীষণভাবে সাহায্য করে। গ্যাবায় পাঁচজন ব্যাটার হাফসেঞ্চুরি করলেও, সেঞ্চুরি আসেনি কোন ব্যাটারের ব্যাট থেকে।

আর সেই পাঁচ ফিফটি ছাড়ানো ইনিংসের মধ্যে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস মিচেল স্টার্কের। স্কট বোল্যান্ড সাথে স্টার্কের জুটিই বরং অস্ট্রেলিয়াকে চালকের আসনটি পেতে সহয়তা করে। তবে স্টার্কের কাজ সেখানেই সমাপ্ত হয়ে যায় না। তিনি নিজেও সেটা বেশ ভালভাবেই জানেন।
তাইতো আবার তিনি ফিরলেন চিরচেনা আগ্রাসীরুপে, এদফা দেড় আউন্সের চর্মগোলক হাতে। গোলাপী রঙের আভা ছাপিয়ে সেই বলে শুধু ছাইয়ের ধূসরতা ছড়িয়েছে ইংলিশ শিবিরে। আগের ইনিংসে ইংলিশদের হয়ে সেঞ্চুরি করা জো রুট, দ্বিতীয় ইনিংসে আটকে গেলেন স্বল্প রানে। তাকে ফেরান মিচেল স্টার্ক। এরপর সফরকারীদের উইকেটরক্ষক- জেমি স্মিথকে দেখিয়েছেন প্যাভিলিয়নের পথ।
তার সাথে সঙ্গ দিয়ে সমান দুইটি করে উইকেট তুলে নেন মাইকেল নেসার ও স্কট বোল্যান্ড। তাতে করে স্রেফ ১৩৪ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে তৃতীয় দিন শেষ করেছে ইংল্যান্ড। দুই ইনিংস মিলিয়ে এখন অবধি আট উইকেট রয়েছে স্টার্কের ঝুলিতে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান এসেছে তারই ব্যাট থেকে। স্টার্ক ব্যতীত অন্য কাউকে কি আর ‘স্টার’ বলার সুযোগ আছে!












