সুরিয়ার ডাকে সাড়া দিলেন এবি ডি!

ভারতের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সুরিয়াকুমার যাদবের ব্যাটিং প্রতিভা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে টি-টোয়েন্টিতে যতটা সফল তিনি, ওয়ানডে ফরম্যাটে ততটাই মলিন তাঁর ব্যাট। তাই ভারতের এই তারকা শরণাপন্ন হয়েছেন কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্সের কাছে।

ভারতের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সুরিয়াকুমার যাদবের ব্যাটিং প্রতিভা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে টি-টোয়েন্টিতে যতটা সফল তিনি, ওয়ানডে ফরম্যাটে ততটাই মলিন তাঁর ব্যাট। তাই ভারতের এই তারকা শরণাপন্ন হয়েছেন কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্সের কাছে।

সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে সুরিয়াকুমার সরাসরি এবি ডি ভিলিয়ার্সের কাছে পরামর্শ চেয়েছেন, কীভাবে দুই ফরম্যাটে ব্যাটিংয়ের ভারসাম্য বজায় রাখা যায়। তার প্রশ্ন ছিল স্পষ্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দুই ভিন্ন মেজাজের ফরম্যাটে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ধরে রাখা কতটা সম্ভব এবং কীভাবে সেটা অর্জন করা যায়।

ডি ভিলিয়ার্সও সময় নেননি উত্তর দিতে। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে তিনি সুরিয়াকুমারের উদ্দেশে ভিডিও বার্তা পাঠিয়ে জানান, ‘আমি তার প্রশ্নের উত্তর দিতে প্রস্তুত হচ্ছি। আসলে আমি চাই, সুরিয়া আমার শোতে আসুক। আমরা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব, শুধু ওয়ানডে নয়, টেস্ট ক্রিকেট নিয়েও। আমি ওর জন্য ভালো সমাধান খুঁজে বের করব।’

 

দক্ষিণ আফ্রিকার এই কিংবদন্তি বলেন, ‘আমি জানি না সুরিয়াকুমারের টেস্ট খেলার বড় আশা আছে কিনা, তবে ও নিশ্চয়ই সেটা পুরোপুরি ছেড়ে দেবে না। ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টির মধ্যে ভারসাম্য খুঁজে পাওয়া অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং। আমি নিজের হোমওয়ার্ক করব এবং ওকে একটি সঠিক দিকনির্দেশনা দেব।’

সুরিয়াকুমার যাদবের ওয়ানডে পরিসংখ্যান তেমন উজ্জ্বল নয়। ২০২৩ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালেই ছিল তার সর্বশেষ ওয়ানডে ম্যাচ। পুরো টুর্নামেন্টে ফিনিশার হিসেবে সুযোগ পেলেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। বর্তমানে তার ওয়ানডে গড় মাত্র ২৫, যা টি-টোয়েন্টিতে তার দাপটের সঙ্গে তুলনা করা যায় না।

অন্যদিকে এবি ডি ভিলিয়ার্সে ব্যাটিং রেকর্ড  ক্রিকেট ইতিহাসের সেরাদের তালিকায়। ২২টি টেস্ট শতক ও ২৫টি ওয়ানডে শতকের মালিক তিনি। গড়   ৫৩-এর ওপরে, আর স্ট্রাইক রেট রান প্রতি বলেরও বেশি। টি-টোয়েন্টিতে ছিলেন আরও বেশি ভয়ঙ্কর।

 

তাই তো যেভাবে সুরিয়াকুমার যাদব নিজেকে বহুমুখী ব্যাটার হিসেবে আরও উন্নত করতে চান, তাতে এবি ডি ভিলিয়ার্সের মতো কিংবদন্তির পরামর্শই হতে পারে ভবিষ্যতের পাথেয়।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link