প্রত্যাশার প্রতিফলন অবশেষে ঘটল তামিমের ব্যাটে

বেশ গুরুত্বপূর্ণ এক ম্যাচ। তামিমের ব্যাটে রান ছিল ভীষণ প্রয়োজন। সেই রান তিনি পেলেন বটে। আগ্রাসনও ছিল উপস্থিত।

ফজল হক ফারুকির এক ওভারে চারটি চার হাঁকিয়ে তানজিদ হাসান তামিম দিলেন দিনের আভাস। বেশ গুরুত্বপূর্ণ এক ম্যাচ। তামিমের ব্যাটে রান ছিল ভীষণ প্রয়োজন। সেই রান তিনি পেলেন বটে। আগ্রাসনও ছিল উপস্থিত। তানজিদ তামিমের পরিচিত রুপের প্রতিবিম্ব দেখা গেল আফগানিস্তানের বিপক্ষে।

এবারের এশিয়া কাপের গত দুই ম্যাচে তানজিদের ব্যাটে ছিল না রান। যে প্রত্যাশার উত্তরীয় গায়ে জড়িয়ে তিনি পা রেখেছিলেন আরব আমিরাতে, সে প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে তিনি হয়েছিলেন ব্যর্থ। সবটাই তিনি জমিয়ে রেখেছিলেন যেন আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য।

বিশ্বকাপের মঞ্চে অভিষেক হয়েছিল তার। চাপের সাথে বহু আগেই হয়েছে মোলাকাত। এরপর সময় লেগেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে থিতু হতে। এরপর তিনি জুগিয়েছেন আশার সঞ্চার। স্বভাবজাত সিক্স হিটিং দক্ষতা তার উপর বাড়িয়েছে ভরসা। তিনি প্রতিদান দিয়েছেন প্রায়শই। তার কল্যাণেই তো ছক্কার সংখ্যা বেড়েছিল গোটা বাংলাদেশ দলের।

সেই তিনি আফগানদের বিপক্ষে হাঁকালেন তিন খানা ছক্কা। এছাড়াও আরও চারটি চার এসেছে তার ব্যাট থেকে। সব মিলিয়ে তার সংগ্রহ ছাড়িয়েছে ৫০ রানের ঘর। ৫২ রানে আরও একটি ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে আউট হয়েছেন তিনি। ততক্ষণ অবশ্য সংশয়ের মেঘ থেকে বর্ষণ ঘটিয়েছেন তিনি।

প্রায় ১৬৮ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটিতে তিনি দারুণ শুরু ছাড়াও, শক্ত একটা ভীতও গড়ে দিয়েছেন । ৩১ বলের ইনিংসটিতে স্পষ্ট ছিল গোটা বাংলাদেশ দলের ভাবনা। বাঁচা-মরার লড়াই। জিতলে সুপার ফোরের আশা বেঁচে থাকবে। সেই আশার মশালে জ্বালানির জোগান দিলেন তানজিদ তামিম।

বড় মঞ্চে ব্যর্থতার সেই অধ্যায়গুলো বদলে ফেলার ব্রত এবং প্রবল ইচ্ছে মঞ্চস্থ করে গেলেন তামিম। বড় ইনিংস না হোক, তার ওই আগ্রাসন অন্তত ধারাবাহিক হোক। কেবল তবেই হয়ত বাংলাদেশ ক্রিকেটে সাফল্য আর সুদিন হবে ধ্রুব সত্য।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link