আধুনিক ওয়ানডেতে তামিমকে বাংলাদেশের প্রয়োজন

সৌম্য সরকারকে বাদ দিয়ে কেন তানজিদ হাসান তামিমকে নেওয়া হল একাদশে? এমন প্রশ্ন যদি উঠেও থাকে, তবে ম্যাচ শেষে তানজিদ তামিমের ইনিংসই সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিয়েছে।

সৌম্য সরকারকে বাদ দিয়ে কেন তানজিদ হাসান তামিমকে নেওয়া হল একাদশে? এমন প্রশ্ন যদি উঠেও থাকে, তবে ম্যাচ শেষে তানজিদ তামিমের ইনিংসই সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিয়েছে। আধুনিক ওয়ানডে ক্রিকেটের যে দূরত্বে বাংলাদেশ পেছনের দিকে অবস্থান করছে, সেই দূরত্ব ঘোচানোর একমাত্র কারিগর হতে পারেন তরুণ এই ব্যাটার। সে কারণেই ওয়ানডে দলে তার অন্তর্ভুক্তি।

তানজিদ হাসান তামিম ভীষণ আগ্রাসী এক তরুণ। বাউন্ডারি হাকানোতে ওস্তাদ। টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের চরিত্র বদলের অন্যতম সেনানি তরুণ এই ব্যাটার। তারুণ্যের এই দাপুটে আগ্রাসনকে ওয়ানডেতেও ব্যবহার করতে কে না চাইবে? তিনি বাংলাদেশ দলের জন্য একটা সেতু।

তিনি ২০১৫ পূর্ববর্তী ওয়ানডে ক্রিকেটের সাথে তার পরবর্তী ওয়ানডে ক্রিকেটের ব্যাটিং ধরনের মধ্যকার সেতুবন্ধন। তিনি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সেই ‘ফ্লাইং স্টার্ট’ ওয়ানডেতেও এনে দিতে সক্ষম। ঠিক সে কারণেই তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ওয়ানডে একাদশে। আর সেই ভরসার প্রতিদান দারুণভাবে দিয়েছেন তামিম।

১১৪ রানে অলআউট পাকিস্তান। বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের সর্বনিম্ন দলীয় রান। নাহিদ রানার বোলিং তোপে পাকিস্তানিরা কুপোকাত। এত স্বল্প রানের জন্য খুব বেশি কালক্ষেপণ করতেই চাইলেন না তানজিদ হাসান তামিম। দ্রুতই ম্যাচ জেতার সমস্ত বন্দোবস্ত করে ফেললেন বা-হাতি এই ব্যাটার।

তার চিরায়ত আক্রমণাত্মক ভঙিমায় ব্যাটিং করে গেলেন তানজিদ হাসান তামিম। বাউন্ডারি হাকানোতে বিন্দুমাত্র কার্পণ্য করেননি। সাত চার ও পাঁচ ছক্কায় সাজিয়েছিলেন নিজের ইনিংস। ১৫৯.৫২ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটির কল্যাণে আট উইকেটের বিশাল জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। স্রেফ ১৫ ওভারের মধ্যেই পাকিস্তানের দেওয়া ১১৫ রানের লক্ষ্যমাত্রা টপকে যায় বাংলাদেশ, যা সম্ভব হয়েছে তানজিদ হাসান তামিমের ৪২ বলে খেলা অপরাজিত ৬৭ রানের ইনিংসটি।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link