তামিমের ‘ট্রেডমার্ক’ সেঞ্চুরি

১১২ বলে ১১ চার আর ৫ ছক্কায় করেছেন ১২৫ রান। দলকে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন তামিম ইকবাল খান। ওয়ানডে ফরম্যাটে খেলেন না বছর পার হয়ে গেছে। তবে তাতে কি যায় আসে! ফিটনেস, ফর্ম, ফরম্যাট বিবেচনায় তেমন আমলে আসলে তামিম কখনো নেননি।

ডাউন দ্য ট্র্যাকে এসে দৃষ্টিনন্দন ছক্কা। ট্রেডমার্ক স্টাইলেই চলতি ডিপিএলে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নিলেন তামিম ইকবাল খান। এক মুহূর্তের জন্য যেন স্মৃতির পাতায় দাগ কেটে গেল পোর্ট অফ স্পেন কিংবা পাকিস্তানের বিপক্ষে দুইশো রানের সেই স্মরণীয় সময়টা। মোহামেডানের হয়ে এদিন সেই ভিনটেজ ফ্ল্যাশব্যাকটাই দিলেন তামিম ইকবাল।

১১২ বলে ১১ চার আর ৫ ছক্কায় করেছেন ১২৫ রান। দলকে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন তামিম ইকবাল খান। ওয়ানডে ফরম্যাটে খেলেন না বছর পার হয়ে গেছে। তবে তাতে কি যায় আসে! ফিটনেস, ফর্ম, ফরম্যাট বিবেচনায় তেমন আমলে আসলে তামিম কখনো নেননি।

এদিনও কেয়ার করলেন না পার্টেক্স স্পোর্টস ক্লাবের বোলারদের। জাওয়াদ রোয়েন, মোহর শেখ, শাহিদুল ইসলাম, আলাউদ্দিন বাবু কেওই পাত্তাই পায়নি আগ্রাসী তামিমের সামনে।

লং অন, ওয়াইড লং অফ, কাভার, ডিপ এক্সটা কাভার, ওয়াইড লং অন, স্ট্রেইট লং অন, ডিপ ব্যাকওর্য়াড পয়েন্ট আছড়ে পড়েছে তাদের বলগুলো।

পার্টেক্স নয় জন বোলার কাজে লাগিয়েও আউট করতে পারেনি তামিমকে। দশ ওভার আগেই ম্যাচ জিতিয়েছেন তিনি মোহামেডানকে। আগের দুই ম্যাচে ভালো শুরু করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি তামিম।

তবে এদিন নিজের ২৩ তম লিস্ট এ সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। টানা দুই জয়ে দারুন ছন্দে আছে তার দল মোহামেডানও।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link