অভিষেকের পর থেকে টানা নয় ইনিংসেই নিজের ঝুলিতে উইকেট পুরেছেন তানভীর ইসলাম। এমন কীর্তি কেবল তাঁর নামের পাশেই আছে। ধারাবাহিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে বেড়ে উঠছেন ধীরে ধীরে। তবুও তিনি থাকেন আলোচনার বাইরে, নিজের কাজটা করে যান একান্তে, নীরবে।
তানভীর ইসলামের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের যাত্রাটা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এ বছরের জুলাই মাসে। এরপর থেকে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে জড়িয়ে তিনি খেলেছেন নয় ম্যাচ। নামের পাশে ১৬ উইকেট, ইকোনমি রেটটাও ৪.২১।
এই নয় ম্যাচের প্রতিটিতেই উইকেট পেয়েছেন তিনি। ছাড়িয়ে গেছেন বাংলাদেশের হয়ে টানা সাত ইনিংসে উইকেট নেওয়া এবাদত হোসেনকেও। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেও তাঁর শিকার পাঁচ উইকেট। সংখ্যার হিসেবে খুব বেশি কিছু না হলেও তাঁর ইকোনমি রেট ছিল ৩.৭১।

এক প্রান্তে চাপে রেখেছেন প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের, অন্য প্রান্তে তাই রিশাদ-নাসুমরা উইকেট তুলতে পেরেছেন সহজেই। দিন শেষে তাই থেকেছেন আড়ালের নায়ক হিসেবে।
রিশাদ হোসেন, কোন কোন ক্ষেত্রে নাসুম আহমেদ কিংবা সমালোচনার জেরে মেহেদী মিরাজের নাম প্রায়শই চর্চা হয়েছে পুরো সিরিজে। সেই অনুপাতে তানভীর ছিলেন সবার অগোচরে।
নিজেকে চেনানোর জন্য হয় খুব ভালো হতে হয়, নয়তো ভীষণ খারাপ। এর অন্যথা হলে সত্যিকার অর্থে কেউ মনে রাখে না। তানভীরের বেলায় যেন এই কথাটা একদম মিলে যায়। তাই তো তাঁকে পার্শ্বনায়কের ভূমিকায়ও রাখা হয়নি।

তাতেও অবশ্য তানভীরের কিছু যায় আসে না হয়তো। নিজের কাজে যে তিনি ফুল মার্কসই তুলেছেন। দলের হয়ে অবদান রেখেছেন। সন্তর্পণে নিজের কাজ করে গেছেন। এটাই বা কম কিসে!











