একটা লফটেড কাভার ড্রাইভ খেলার প্রয়াশ। আর সেই ভাবনাই ইতি ঘটালো এক দূর্দান্ত ইনিংসের। তানজিদ হাসান তামিম পেয়ে যেতে পারতেন সেঞ্চুরির দেখা। আর তো ছিল মাত্র ক’টা রানের অপেক্ষা। আগ্রাসী ভঙ্গিমায় তিনি বাউন্ডারির মূর্ছনায় রান তুলে যাচ্ছিলেন নর্থ জোনের জার্সি গায়ে।
বিসিএল ওয়ানডেতে তিন ম্যাচে দু’টো ফিফটি এসে গেল তানজিদ হাসান তামিমের ব্যাট থেকে। তিনি যেন আছেন দারুণ ছন্দে। এই তো সেদিন অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপেও তার ব্যাট হাসল। ৮৮ রানে অপরাজিত থাকলেন তানজিদ তামিম। এর আগে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) তার ব্যাট থেকে এলো শতরান।
সর্বশেষ বিপিএলয়ের শীর্ষ তিন রান সংগ্রাহকদের একজন ছিলেন তরুণ এই ওপেনার। অদম্য কাপে ছিলেন সেরা পাঁচে, বিসিএল ওয়ানডেতেও আছেন তিনি উপরের সারিতেই। ফরম্যাট বদলায়, কিন্তু বদলান না তামিম। ঘরোয়া সার্কিটে তিনি যেন ছুটছেন দুর্বার গতিতে। আগ্রাসনেও খুব একটা ভাটা পড়তে দেননা তিনি।

সেন্ট্রাল জোনের বিপক্ষে ম্যাচটিতে প্রায় ১০০ স্ট্রাইকরেটে ব্যাটিং করে গেছেন তানজিদ হাসান তামিম। বাউন্ডারি হাকানোতে সমস্ত আনন্দ খুঁজে নেন তানজিদ তামিম। এদিনও ঘটেনি ব্যতিক্রম। সব মিলিয়ে ১৩ খানা বাউন্ডারি এসেছে তামিমের ব্যাট থেকে, চার মধ্যে ছিল ৯টি চার ও ৪টি ছক্কা।
৬০ রান এসেছে বাউন্ডারি থেকে। এটাই যেন তার শক্তির জায়গা। তবে নিজের দূর্বলতাকে খুব একটা বদলে এখনও ফেলতে পারেননি তানজিদ তামিম। স্ট্রাইক রোটেশনে এখনও সিদ্ধহস্ত নন। রান পাচ্ছেন ধারাবাহিকভাবে, আত্মবিশ্বাসে জোয়ারে বাউন্ডারি হাঁকাচ্ছেন অনায়াসে। কিন্তু দুর্দিনে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি হলে, রানের ধারায় ব্যঘাত ঘটবে।
তেমন পরিস্থিতি থেকে বেড়িয়ে আসতে স্ট্রাইকরোটেশন হতে পারে কার্যকর। নিজের চলতে থাকা দারুণ সময়ে এই বিষয়টির সংযোজনই তামিমকে বানিয়ে ফেলবে অপ্রতিরোধ্য। তাতে তো দিনশেষে বাংলাদেশের কল্যাণ। আসন্ন ওয়ানডে বিশ্বকাপে যে তার উপর আসতে পারে টাইগারদের ওপেনিং সামলানোর দায়িত্ব।










