টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ মেইডেন সংখ্যা যাদের!

আধুনিক যুগে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট মানেই এখন চার ছক্কার ফুলঝুরি। এক কথায় ব্যাটারদের দাপট। এই ফরম্যাটে বল হাতে আধিপত্য বিস্তার করতে হলে চাই অসাধারণ যোগ্যতা ও দক্ষতা।টেস্ট কিংব ওয়ানডেতে প্রায়সই উইকেট শুন্য ওভারের দেখা পাওয়া গেলেও, কুড়ি ওভারের ফরম্যাটে তা বিরল।

আধুনিক যুগে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট মানেই এখন চার ছক্কার ফুলঝুরি। এক কথায় ব্যাটারদের দাপট। এই ফরম্যাটে বল হাতে আধিপত্য বিস্তার করতে হলে চাই অসাধারণ যোগ্যতা ও দক্ষতা। টেস্ট কিংবা ওয়ানডেতে প্রায়শই রান শূন্য ওভারের দেখা পাওয়া গেলেও, কুড়ি ওভারের ফরম্যাটে তা বিরল।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি রান শূন্য ওভার করেছেন ভারতীয় বিধ্বংসী পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ। তাঁর নামের পাশে রয়েছে ১২টি মেইডেন ওভারের কীর্তি। নতুন বল কিংবা ডেথ ওভার, যেকোন পরিস্থিতিতেই দলের প্রয়োজনে প্রতিপক্ষকে রুখে দিতে সক্ষম তিনি।

সমান সংখ্যক মেইডেন ওভার দেখিয়েছেন জিম্বাবুয়ের বাহাতি পেসার রিচার্ড এনগ্রাভা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৯১ ইনিংসে ৩২৮.২ ওভার বোলিং করে ১২টি মেইডেন দিয়েছেন তিনি।

তালিকায় নাম রয়েছে আরেক ভারতীয় পেসার ভুবনেশ্বর কুমারেরও। সবচেয়ে কম ওভার বোলিং করে দশটি মেইডেনের দেখা পেয়েছেন তিনি। দুইটি মেইডেন কম নিয়ে তালিকার চার নম্বরে অবস্থান ব্লেসিং মুজারাবানির।

তালিকার পাঁচ নম্বরে রয়েছেন বাংলাদেশের তারকা বোলার মুস্তাফিজুর রহমান। ৪৫৫ ওভার বল করে আটটি রান শূন্য ওভার করেছেন তিনি। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই ডেথ ওভারে তিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা পেসার।

কেবলমাত্র টেস্টখেলুড়ে দলের বিপক্ষে মেইডেনের সংখ্যা বললেও তালিকার প্রথম নামটি জাসপ্রিত বুমরাহরই। সেক্ষেত্রে মুস্তাফিজ কিংবা ভুবনেশ্বর কুমারের সাথে যুক্ত হয়েছেন জশ হ্যাজেলউড এবং মোহাম্মদ আমির।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link