বিপিএলকে বিদায় বললেন তাসকিন

ইনজুরি ঝুঁকি তাঁর পুরনো সমস্যা। তাই, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের বাকি অংশে খেলবেন না পেসার তাসকিন আহমেদ। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন সীমিত ওভারের সিরিজে পুরোপুরি ফিট তাসকিনকে পেতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

বিপিএলে ঢাকা ডোমিনেটর্সের হয়ে খেলা তাসকিন  গত ৩০ জানুয়ারি সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে  ম্যাচে  হামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়েন। ম্যাচে ৩ ওভারে ১৪ রান দিয়ে উইকেট শূন্য থাকা তাসকিন বোলিংয়ের কোটা শেষ করার আগেই মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন।  পরবর্তীতে বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্টের পরামর্শ অনুযায়ী ঢাকা পর্বে দলের হয়ে পরের দুই ম্যাচে খেলেননি তাসকিন।

বিপিএল  শেষ চার-এ  খেলার আশা আগেই শেষ হয়ে যাওয়ায় ঢাকার জন্য তাসকিনের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে খেলাটা খুব জরুরীও নয়। বিসিবির মেডিকেল টিমের পরামর্শ অনুযায়ী ইনজুরি থেকে সুস্থ হতে তাসকিনকে  দুই সপ্তাহ বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে।

বিসিবির চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের ইনজুরি থেকে সুস্থ হয়ে উঠতে শুধুমাত্র বিশ্রামই যথেষ্ট। বিসিবির প্রধান চিকিৎসক ড. দেবাশিষ চৌধুরী বলেন, ‘হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি থেকে সেরে উঠতে দুই সপ্তাহ বিশ্রাম দেয়া হয়েছে তাসকিনকে। ইনজুরি খুব বেশি গুরুত্বর নয়। দলের হয়ে বিপিএলের বাকি ম্যাচগুলোতে খেলবেন না তিনি। কিছুদিন পরই অনুশীলন শুরু করবে সে। আমরা মনে করি আসন্ন ইংল্যান্ড সিরিজ খেলতে তার কোন সমস্যা নেই।’

আগামী মাসে বাংলাদেশ সফরে তিন ম্যাচের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে  দুই ফরম্যাটের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দল ইংল্যান্ড।   চলমান বিপিএলে নিজ দল ঢাকার পারফরমেন্স খারাপ হলেও, বল হাতে দুর্দান্ত ফর্ম অব্যাহত রাখেন তাসকিন। দেশের সেরা বোলার হিসেবে নিজেকে আবারও প্রমান করেছেন তিনি।

এবারের মৌসুমে ৯ ম্যাচে ১০ উইকেট নেন তাসকিন। কবে তার ৬.০২ ইকোনমি রেট চোখে পড়ার মত ছিল। ব্যাটিং-বান্ধব উইকেটে তাসকিনকে সামলাতে হিমশিম খেতে হয়েছে ব্যাটারদের।

খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে এ ম্যাচে বল হাতে সেরা পারফরমেন্স করেন তাসকিন। মাত্র ১০৮ রানের পুঁজি নিয়ে খেলতে নেমে ৯ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। তাসকিনের বিধ্বংসী বোলিংয়ে খুলনার বিপক্ষে ২৪ রানে জয় পায় ঢাকা। তাসকিন জ্বলে উঠলেও দল হিসেবে সাফল্য পায়নি ঢাকা ডোমিনেটর্স। বাদ পড়েছে শেষ চারের আগেই।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link