হারতে বসা ম্যাচেও আশা দেখিয়েছিলেন তাসকিন!

হারতে বসা ম্যাচটাকে জমিয়ে তুলেছিলেন তাসকিন আহমেদ। ১৮তম ওভারে মাত্র ছয় রান দিয়ে তুলে নেন এক উইকেট। একটা সম্ভাবনার আলো জ্বেলে দেন তিনি, তবে শেষ পর্যন্ত তা আর কাজে আসেনি। মুস্তাফিজুর রহমানদের কাছে হেরে আসরের ইতি টানলেন তাসকিন।

হারতে বসা ম্যাচটাকে জমিয়ে তুলেছিলেন তাসকিন আহমেদ। ১৮তম ওভারে মাত্র ছয় রান দিয়ে তুলে নেন এক উইকেট। একটা সম্ভাবনার আলো জ্বেলে দেন তিনি, তবে শেষ পর্যন্ত তা আর কাজে আসেনি। মুস্তাফিজুর রহমানদের কাছে হেরে আসরের ইতি টানলেন তাসকিন।

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই বল হাতে আসেন তাসকিন। প্রথম বলে লেগ বিফোরের জোরালো আবেদন। তবে আম্পায়ার তা নাকচ করে দেন, উইকেটের দেখা পেতে অপেক্ষা বাড়ে। ওভারটা অবশ্য বেশ ভালোই করলেন তিনি, দিলেন মাত্র ছয় রান।

এরপর দীর্ঘ এক অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে তাসকিন ফিরলেন ১১তম ওভারে। এই ওভারটাতে সুবিধা করে উঠতে পারলেন না। দলের চাপ কমানোর বদলে আরও বাড়িয়ে দিলেন যেন। ওভার শেষ করলেন ১২ রান খরচা করে। প্রতিপক্ষ একেবারে জয়ের পথ সুগম করে ফেলেছে তখন, তাসকিন পারলেন না পথের কাটা হতে, গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্রেকথ্রু এনে দিতে।

দুবাই ক্যাপিটালসের তখন দরকার ১৮ বলে ২৬ রান, হাতে আছে সাত উইকেট। মহাগুরুত্বপূর্ণ সময়ে বল হাতে তুলে দেওয়া হলো তাসকিনের। সুযোগ ছিল দলের জন্য বিশেষ কিছু করার। তিনি সেটাই করলেন, প্রথম বলে চার হজম করলেও তৃতীয় বলেই পেলেন কাঙ্ক্ষিত উইকেটের দেখা। পরের তিন বলই ডট। মোটে ছয় রান দিয়েই শেষ করলেন ওভারটা। জমিয়ে তুললেন ম্যাচটাকেও, সমীকরণ দাঁড়াল ১২ বলে ২১ রান।

তবে ১৯তম ওভারে টিম সাউদি এসে ১৮ রান দেন। তাতেই খেলার ফলাফল নির্ধারণ হয়ে গেল। যদিও তাসকিন তিন রান আটকানোর সুযোগ পেলেন, তবে রোভম্যান পাওয়েল বিশাল এক ছক্কা হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন। শেষটাতে তাসকিনের বোলিং ফিগার দাঁড়ায় তিন ওভার এক বল হাত ঘুরিয়ে ২৯ রানে এক উইকেট।

আইএল টি-টোয়েন্টির এবারের আসরের শেষ ম্যাচ ছিল তাসকিনের জন্য। টানা পাঁচ ম্যাচেই উইকেট তুলেছেন, আসরজুড়ে তাঁর শিকার হয়েছেন নয় ব্যাটার। একটু খরুচে হলেও উইকেট তোলার কাজটা যে তিনি দারুণভাবেই করেছেন।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link