শেষ ম্যাচেও নিজের ছাপ রেখে গেলেন মুস্তাফিজ!

কাটারের আঘাতে সিকান্দার রাজাকে সাজঘরে পাঠালেন মুস্তাফিজুর রহমান, আসরে ১৫তম উইকেট নামের পাশে তুললেন। ফিজ যেন প্রমাণ করলেন তিনি সময়ের থেকে এক ধাপ এগিয়ে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে আরও বেশি ধারালো হচ্ছেন, সময়ের আগুনে পুড়ে খাঁটি সোনা হচ্ছেন।

কাটারের আঘাতে সিকান্দার রাজাকে সাজঘরে পাঠালেন মুস্তাফিজুর রহমান, আসরে ১৫তম উইকেট নামের পাশে তুললেন। ফিজ যেন প্রমাণ করলেন তিনি সময়ের থেকে এক ধাপ এগিয়ে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে আরও বেশি ধারালো হচ্ছেন, সময়ের আগুনে পুড়ে খাঁটি সোনা হচ্ছেন। ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টির শেষ ম্যাচেও তাই রেখে গেলেন নিজের ছাপ।

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে মুস্তাফিজ এলেন বল হাতে। লাইন-লেন্থে মেপে বল করে গেলেন, ব্যাটারকে হাত খোলার কোনো সুযোগই দিলেন না। মোটে দুই রান দিয়েই শেষ করলেন ওভারটা।

পাওয়ার প্লেতে সাধারণত একটা ওভারই করতে দেখা যায় ফিজকে। তবে আজকের দিনে পরিবর্তন আনা হলো পরিকল্পনায়। রানের গতি দমিয়ে রাখতেই পরের ওভারে আবারও এলেন ফিজ। এবার অবশ্য একটা চার হজম করতে হলো তাঁকে। সবমিলিয়ে এলো নয় রান। দুই ওভারে দিলেন ১১, এর মধ্যে ছয়টাই ডট বল।

১২ ওভার শেষে শারজাহ ওয়ারিয়র্সের রান তখন ৮৮, উইকেট হারিয়েছে তিনটি। জনসন চার্লস আর সিকান্দার রাজা মিলে ইনিংসটাকে গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা শুরু করেছেন। মুস্তাফিজ এলেন ১৩তম ওভারে, আর এসেই বাজিমাত। প্রথম বলেই কাটারের বিষে ঘায়েল করলেন রাজাকে। এর মাধ্যমেই আইএল টি-টোয়েন্টিতে নিজের ১৫তম উইকেট শিকার করলেন ফিজ, সেই সঙ্গে বুঝিয়ে দিলেন ব্রেকথ্রু এনে দিতে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। ওই ওভারেও খরচা করলেন মোটে চার রান।

নিজের শেষ ওভার করতে মুস্তাফিজ ফিরলেন বটে, তবে উইকেটের দেখা আর পেলেন না। শেষটা ফিজসুলভ হলো না। খরচ করলেন ১২ রান। চার ওভার শেষে ফিজের হিসাবটা দাঁড়াল ২৭ রানের বিনিময়ে এক উইকেট।

সবমিলিয়ে এই আসরটা মুস্তাফিজের বেশ কেটেছে। প্রতিপক্ষের জন্য ত্রাস হয়েছেন পুরো সময়জুড়ে। যখন দরকার উইকেট এনেছেন, ডেথ ওভারে নিজের জাদু দেখিয়েছেন, মুস্তাফিজ চিনিয়েছেন নিজের জাত।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link