মাঠ ছেড়ে যখন বের হচ্ছেন, তাঁকেই আউট করা বোলার হাসান আলী হাত মিলিয়ে গেলেন। প্রতিপক্ষের কেউ কেউ তালি দিলেন। ডাগ আউট থেকে সবাই বের হয়ে পিঠ চাপড়ে দিলেন।
কিছু কিছু ইনিংস দলমত নির্বিশেষে স্মরণীয় হয়ে থাকে। লিটন দাসের ইনিংসটা তেমনই একটা নিদর্শন। ১১৬ রানে যখন বাংলাদেশের ষষ্ঠ উইকেটের পতন ঘটে যায়, তখন ২০০ রান করাটাই বাংলাদেশের জন্য দূর আকাশের স্বপ্ন।

পাকিস্তানের লক্ষ্য তখন বাংলাদেশকে ১৫০-এর মধ্যে আটকে রাখা। তবে, লিটন দাসের পরিকল্পনাটা ছিল ভিন্ন। তিনি সেখান থেকে বাংলাদেশকে নিয়ে যান ২৭৯ রানে। লোয়ার অর্ডারকে সাথে নিয়ে লড়াই করেন একের পর এক।
তাইজুল ইসলামের সাথে ৬০ রান, তাসকিন আহমেদের সাথে ৩৮ রান, এরপর শরিফুল ইসলামের সাথে আরও ৬৪ রান – এই তিনটা জুটি বাংলাদেশের ইনিংস পাল্টে যায়। টেল এন্ডারদের কিভাবে কাজে লাগাতে হয়, সেটা আবারও দেখিয়ে দিলেন লিটন দাস।

ইনিংস গড়লেন, হাত খুললেন, বাউন্ডারি হাকালেন। ছবির মত সুন্দর একটা ইনিংস খেললেন। যখন আউট হলেন তখন নামের পাশে লেখা ১৬ টি চার ও দুই ছক্কায় সাজানো ১২৬ রান, লিটন দাসের ষষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরি। বাংলাদেশকে তিনি কেবল বিপদের হাত থেকেও বাঁচাননি সিলেটের একটু ট্রিতি উইকেটে বাংলাদেশ দল এখন রীতিমত জয়ের স্বপ্নও দেখতে শুরু করেছে।










