ক্রিস ওকসের পদচারণায় রঙ ফিরে পেল বিপিএল!

মিরপুরের একাডেমি মাঠে হেঁটে বেড়াচ্ছেন, কখনও বল হাতে নিয়ে কন্ডিশনটা বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। বিশ্ব ক্রিকেটের পরিচিত মুখ তিনি, নামটা ক্রিস ওকস। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএলে) প্রথমবারের মতো পা পড়েছে তাঁর। উড়িয়ে এনেছে সিলেট টাইটান্স। নিঃসন্দেহে এবারের আসরে অন্যতম বড় নাম তিনি।

ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের তকমা নামের পাশে। নিজের দিনে যেকোনো প্রতিপক্ষকে গুঁড়িয়ে দিতে পারেন এক নিমিষে। ইংল্যান্ডের জার্সি গায়ে তিন ফরম্যাটে সমানতালে রাজত্ব করেছেন। সাদা পোশাকে ৬২ টেস্ট খেলে ১৯২ উইকেট, ওয়ানডেতে নামের পাশে ১১৮ ম্যাচ খেলে ১৭৩ উইকেট। সব মিলিয়ে প্রায় ৪০০ আন্তর্জাতিক উইকেট ওকসের ঝুলিতে। বিপিএল মাতাতে আসা সবচেয়ে প্রভাবশালী পেসার তো তাঁকে বলাই যায়। তিনি এবার খেলবেন সিলেটের জার্সি গায়ে।

সিলেট যে চমক জাগিয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এলিমিনেটরের বাধা টপকাতে সবরকম প্রস্তুতিই যেন নিচ্ছে। তবে এখানেই শেষ নয়, যেন ছোটখাটো এক ইংল্যান্ড দল বানিয়ে ফেলেছে তারা। ইথান ব্রুকস তো সবার আগেই এসেছিলেন, মাঝে যোগ দিয়েছেন গ্রেট মইন আলী, এবার সতীর্থ হয়ে এলেন ক্রিস ওকস। স্যাম বিলিংসও পা রেখেছেন ঢাকার মাটিতে, আসার কথা রয়েছে ফিল সল্টেরও। সিলেট যেন পণ করেছে, ক্রিকেটার সব ইংল্যান্ডের হওয়া চায়।

ক্রিস ওকস পরিপূর্ণ এক প্যাকেজ। গতি, সুইং, স্লোয়ার, কাটার, সবই তাঁর অস্ত্রভাণ্ডারে আছে। সবচেয়ে বেশি আছে অভিজ্ঞতাটা, সময় অনুযায়ী নিজেকে বদলে ফেলার ক্ষমতা। শুধু তাই নয়, বিপদে ব্যাট হাতেও পালন করতে পারেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। তাই তো ওকসই যে সিলেটের ভরসা, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

মহারণের আগে সব রসদই আছে সিলেটের ডেরায়। রংপুর রাইডার্সকে যে বেশ বিপাকেই পড়তে হতে পারে এই সিলেটের সামনে। এখন দেখার এলিমিনেটরে মাঠের খেলায় শক্তিমত্তা কাজে লাগাতে সিলেট পারে কি না!

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link