নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শতকের রাজত্বে বিরাট এখন শীর্ষে!

৩৩৮ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতের টপ অর্ডার যখন ধসে পড়েছে, ঠিক তখনই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন আধুনিক ক্রিকেটের মহারাজা। সংযত ব্যাটিংয়ে তিনি তুলে নেন নিজের ৫৪তম ওয়ানডে শতক। ফলে শচীনকে টপকে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বোচ্চ শতক এখন তাঁর দখলে।

ইন্দোরের হোলকার স্টেডিয়ামে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে আবারও নিজের জাত চেনালেন বিরাট কোহলি। ৩৩৮ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতের টপ অর্ডার যখন ধসে পড়েছে, ঠিক তখনই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন আধুনিক ক্রিকেটের মহারাজা। সংযত ও দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে তিনি তুলে নেন নিজের ৫৪তম ওয়ানডে শতক। ফলে শচীনকে টপকে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বোচ্চ শতক এখন তাঁর দখলে।

এই ইনিংসের মধ্য দিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোহলির শতকের সংখ্যা পৌঁছে যায় ৮৫-এ। সব সংস্করণ মিলিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এটি ছিল তাঁর দশম শতক। যার ফলে তিনি শচীন টেন্ডুলকার, জ্যাক ক্যালিস ও জো রুটকে পেছনে ফেলে নতুন এক মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলেন।

রান তাড়ার ৪১তম ওভারে মাত্র ৯১ বলে শতক পূর্ণ করেন তিনি। এই নিয়ে কিউইদের বিপক্ষে তাঁর তিনটি টেস্ট শতক ও সাতটি ওয়ানডে শতক রয়েছে। সব সংস্করণ মিলিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে কোহলির ব্যাটিং গড় ৪৭.৬৬, আর ওয়ানডেতে ৩৬ ইনিংসে তাঁর গড় এখন প্রায় ৫৯!

ম্যাচ শুরুর আগে জো রুট, জ্যাক ক্যালিস এবং শচীন টেন্ডুলকারের নামের পাশে নাম ছিল বিরাটেরও। চার জন কিংবদন্তিরই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শতকের সংখ্যা ছিল নয়টি। এই ইনিংসের সুবাদে দশটি শতক নিয়ে এককভাবে শীর্ষে ওঠে এলেন বিরাট।

সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৩০১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৯১ বলে ৯৩ রান করে দলের জয় অনেকটা নিশ্চিত করেই ড্রেসিং রুমে ফেরেন বিরাট। সেদিন ভারত জিতলেও বিরাটের সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপ মর্মাহত করেছিল সমর্থকদের। সেই আক্ষেপটাই যেন পূর্ণ করে দিলেন সিরিজের শেষ ম্যাচে।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ ইনিংসটি ছিল কোহলির শেষ সাতটি ওয়ানডে ইনিংসের মধ্যে ষষ্ঠবারের মতো ৫০ বা তার বেশি রানের স্কোর। যা তাঁর দুর্দান্ত ফর্মেরই পরিচায়ক।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link