মোট আট ভাগে হবে নারী বিপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফট

ব্যস্ততা শুরু হয়ে গেছে নারী বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগকে ঘিরে। খেলোয়াড়দের ক্যাটাগরি ভাগ করার কাজটা শুরু করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কমিটি।

ব্যস্ততা শুরু হয়ে গেছে নারী বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগকে ঘিরে। খেলোয়াড়দের ক্যাটাগরি ভাগ করার কাজটা শুরু করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কমিটি। এরই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় নারী ক্রিকেটারদেরকে বিভক্ত করা হচ্ছে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে। বিদেশি নারী ক্রিকেটারদের জন্য থাকছে তিনটি ভিন্ন ক্যাটাগরি। ক্যাটাগরি ভেদে পারিশ্রমিকের সংখ্যাটাও নির্ধারিত হয়ে গেছে।

স্থানীয় ক্রিকেটারদের সবচেয়ে উঁচু স্তরকে ‘আইকন’ নামকরণ করা হয়েছে। সেই ক্যাটাগরিতে থাকবেন মোট তিনজন ক্রিকেটার। যাদেরকে প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে দলে ভেড়াতে হবে। বলে রাখা ভাল এবারের মেয়েদের বিপিএল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মোট তিন দল নিয়ে।

আইকন ক্যাটাগরিতে জাতীয় দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির থাকার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত। বাকি দুইজনের একজন হতে পারে সহ-অধিনায়ক নাহিদা আক্তার, সেই সাথে সোবাহানা মোস্তারি। এরপরের ‘এ’ ক্যাটাগরিতে থাকবেন মোট ছয়জন ক্রিকেটার। যাদের পারিশ্রমিক ধরা হয়েছে ৭ লাখ টাকা। এই ক্যাটাগরি থেকে মোট দুইজন ক্রিকেটারকে দলে ভেড়াতে হবে ফ্রাঞ্চাইজিগুলোকে।

তারপর ‘বি’ ক্যাটাগরিতে পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হয়েছে পাঁচ লাখ টাকা। সেখানে খেলোয়াড় থাকবেন মোট ১২ জন। এরপর, ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ২০ জন খেলোয়াড়কে রাখা হবে, যাদের পারিশ্রমিক ধরা হয়েছে তিন লাখ টাকা। যদি এই ক্যাটাগরিতে কেউ অবিক্রিত থাকেন, তবে তার নাম পুনঃরায় ডাকা হবে ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে। যেখানে পারিশ্রমিক কমে দাঁড়াবে দেড় লাখ টাকা।

স্থানীয় ক্রিকেটার ছাড়াও দলগুলোতে অন্তত চারজন বিদেশি ক্রিকেটার রাখতে হবে এবং একাদশ সাঁজাতে হবে অন্তত দুইজন বিদেশি ক্রিকেটারেরে সমন্বয়ে। সেজন্য ফ্রাঞ্চাইজিগুলো চাইলে সরাসরি চুক্তিতে বিদেশি খেলোয়াড়দের ভেড়াতে পারবে। তাছাড়া পছন্দের খেলোয়াড়দের ড্রাফট অন্তর্ভুক্ত করানোর সুযোগও থাকছে।

বিদেশি খেলোয়াড়দের তিন ক্যাটাগরির বিভক্ত করা হয়েছে, ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’এই তিন ভাগে। যেখানে পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হয়েছে যথাক্রমে আট হাজার, ছয় হাজার ও তিন হাজার মার্কিন ডলার। বিদেশি খেলোয়াড়দের তালিকা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। অন্যদিকে ফ্রাঞ্চাইজির মালিকানার জন্য ত্রিশ লাখ টাকা ফ্রাঞ্চাইজি ফি দেওয়ার বিষয়টিও চূড়ান্ত করে ফেলা হয়েছে।

এখন শুধু সুষ্ঠভাবে টুর্নামেন্ট আয়োজনের অপেক্ষা। সেজন্য অবশ্য প্রয়োজন পৃষ্ঠপোষকতা। যার সন্ধানে রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। অন্যদিকে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়ার্স ফ্রাঞ্চাইজির সত্ত্বাধিকার প্রতিষ্ঠান নাবিল গ্রুপ, আগ্রহ প্রকাশ করেছে মেয়েদের বিপিএলে দল কেনার জন্য।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link