কেন মুস্তাফিজুর রহমান টি-টোয়েন্টির জমানার অন্যতম সেরা বোলার – সেটা প্রমাণ হল আরেকবার। পাকিস্তানের বিপক্ষে একাদশতম ওভারে দেখা গেল পরিপূর্ণ এক মুস্তাফিজ মাস্টারক্লাস। রীতিমত ব্যাটারের মস্তিস্কের সাথে খেলে তিনি আদায় করে নিলেন সালমান আলী আঘার উইকেট।
প্রথম চারটা ডেলিভারি ব্যাক অব দ্য লেন্থ। আউট সাইড অফ। ব্যাটারদের লক্ষ্য একটাই, কোনোমতে থার্ডম্যানে গাইড করে একটা সিঙ্গেল বের করা। প্রথম বল ডট হলেও, পরের তিনটা বল থেকে আসল একটি করে রান।
প্রতিটা বল করেই মুস্তাফিজ ফিরে যাচ্ছিলেন বোলিং প্রান্তে, আর কি যেন ভাবছিলেন। কি ভাবছিলেন তিনি – সেটা বোঝা গেল পঞ্চম বলে। অফ স্টাম্পের কাছাকাছি স্লোয়ার ডেলিভারি, ব্যাটসম্যান একটু জায়গার সংকটে পড়েছিলেন।

সালমান আলী আঘা ঠিক আগের ডেলিভারির মত করেেই খেলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু, তিনি বুঝতে পারেননি, আসলে তিনি পড়েছেন মুস্তাফিজের ফাঁদে। বল ব্যাটে ছোয়া লেগে চলে যায় উইকেটরক্ষক-অধিনায়ক জাকের আলীর হাতে।
আল্ট্রাএজ নিশ্চিত করল স্পষ্ট ইনসাইড। ব্যাট-বলের সংযোগের শব্দটা আগেই শোনা গিয়েছিল, ফলে আম্পায়ার সায় না দিলেও রিভিউ নিতে দ্বিতীয়বার ভাবেনি বাংলাদেশ দল।পাকিস্তান পাঁচ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে ততক্ষণে, অথচ তখনও ৫০ রানের গণ্ডি পার হয়নি।
উইকেট পাওয়া মাত্রই মুস্তাফিজ ফিরে যান তাঁর আগের লেন্থে। ব্যাটাররা শঙ্কায়, আবার কখন সেই দুর্বোধ্য মুস্তাফিজ চ্যালেঞ্জ এসে উদয় হয়!











