শেষটা রাঙাতে পারল না রাজারা!

শেষটা ভালো হলো না জিম্বাবুয়ের, দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারতে হলো পাঁচ উইকেটের ব্যবধানে। সিকান্দার রাজার লড়াইটা রূপ নিল পরাজয়ের গ্লানিতে। তাতে কী? মাথা উঁচু করে বুক ফুলিয়ে বাড়ির পথ ধরবে জিম্বাবুয়ে, বিশ্বকাপে যে প্রাপ্তির ঝুলি ফুলে ফেঁপে উঠেছে।

শেষটা ভালো হলো না জিম্বাবুয়ের, দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারতে হলো পাঁচ উইকেটের ব্যবধানে। সিকান্দার রাজার লড়াইটা রূপ নিল পরাজয়ের গ্লানিতে। তাতে কী? মাথা উঁচু করে বুক ফুলিয়ে বাড়ির পথ ধরবে জিম্বাবুয়ে, বিশ্বকাপে যে প্রাপ্তির ঝুলি ফুলে ফেঁপে উঠেছে।

নিয়মরক্ষার ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত আসে জিম্বাবুয়ের তরফ থেকে। নিজেদের শেষটা রাঙানোর প্রত্যয় চোখেমুখে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং তোপে ধূসর হয়ে আসতে থাকে সব রঙ। আসন্ন বিপদ জেনে তখন মঞ্চে আসেন সিকান্দার রাজা।

বুক চিতিয়ে লড়তে থাকেন, প্রতিপক্ষের আগ্রাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ছুটিয়ে দেন রানের ঘোড়া। ৪৩ বলে ৭৩ রানের অনবদ্য ইনিংস আসে তাঁর ব্যাট থেকে। ওটাই মূলত একটা লড়াইয়ের পুঁজি গড়ে দেয় জিম্বাবুয়ের জন্য। স্কোরবোর্ডে আসে ১৫৩ রান।

দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য লক্ষ্যটা খুব বেশি না। ফর্মের তুঙ্গে রয়েছেন সবাই, তাই একটা সহজ জয়ের গল্পই যেন অপেক্ষা করছিল। তবে সেই গল্পে আবারও বাধা হয়ে ঢুকে পড়েন সিকান্দার রাজা। দুই ওপেনারকে ১৪ রানের মধ্যেই তুলে নেন। বিপদে যেন জিম্বাবুয়ের কাণ্ডারি তিনি, ব্যাটে-বলে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন একেবারে সামনে থেকে।

তবে প্রোটিয়া শিবিরের তাতে সাময়িক ক্ষতি হলেও সামলে নেন রায়ান রিকেলটন এবং ডিওয়াল্ড ব্রেভিস। ব্রেভিস রীতিমতো ঝড় হয়ে আবির্ভূত হন। ১৮ বল খেলে করেন ৪২ রান। তাতেই জয়ের দিকে পাল্লা ঝুঁকে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকার। তবে ওই ভয়ঙ্কর ব্রেভিসকে সাজঘরে পাঠান কাপ্তান রাজা।

সেটা অবশ্য খুব প্রভাব ফেলেনি আর। শেষদিকে ট্রিস্টান স্টাবস এবং জর্জ লিন্ডে মিলে নিশ্চিত করে আফ্রিকার জয়। জিতে নেয় পাঁচ উইকেট এবং ১৩ বল হাতে রেখেই।

এর মাধ্যমেই শেষ হয় জিম্বাবুয়ের যাত্রা। অস্ট্রেলিয়াকে বিদায় করে দেওয়া, গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কাকে নাস্তানাবুদ করা, পরাশক্তিদের পরাজিত করে সুপার এইটে পা রাখা জিম্বাবুয়ে মাথা উঁচু করেই শেষ করল বিশ্বকাপ যাত্রাটা।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link