স্ট্যাম্পে বল লাগল। আলোও জ্বলে উঠল। কিন্তু, বেল পড়ল না, প্রাণে বেঁচে গেলেন জাকের আলী। আজব এক ঘটনার সাক্ষী হল আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামের দর্শকরা।
ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার ডেলিভারিটা ছিল নিখুঁত। নবম ওভারের ওভারের তৃতীয় ডেলিভারি। সেই মুহূর্তে জাকের আলী এক পা এগিয়ে রক্ষণের ভঙ্গিতে ব্যাট নামালেন। কিন্তু বুঝতেই পারেননি যে ওটা ছিল গুগলি! বলটা ভেতরে ঢুকে সরাসরি আঘাত করলো অফ–স্টাম্পে। হ্যাঁ, একেবারে স্টাম্পে লাগলো—আলো জ্বলে উঠলো!

কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, বেলটা পড়ে গেল না। খানিকটা নড়ে উঠেছিল, খাঁজ থেকে লাফিয়ে উঠেছিল, তবু আবার জায়গায় বসে গেল! বিস্ময়ে হতবাক শ্রীলঙ্কানরা, কেউ বিশ্বাসই করতে পারছিল না চোখকে। উইকেটরক্ষক কুশল মেন্ডিস তো মজা করে বেলটা খুলে আবার পরীক্ষা করলেন—আলো জ্বলে কি না দেখার জন্য!
জাকার আলীর জন্য এ যেন অলৌকিক রক্ষা। এক মুহূর্তের জন্য তার ইনিংসটা যেন শেষ হয়ে যাচ্ছিল, কিন্তু ভাগ্যের জোরে তিনি থেকে গেলেন। মাঠে তখন এক অদ্ভুত নাটকীয়তা, শ্রীলঙ্কানদের চোখে অবিশ্বাস, আর জাকার আলীর মুখে অদৃশ্য স্বস্তির হাসি, একটা ডেলিভারিতে সব ঘটে গেল আবুধাবিতে।

ব্রেক থ্রুর জন্য হন্যে হয়ে ছিল শ্রীলঙ্কা। অপেক্ষার প্রহর অবশ্য দীর্ঘ হল না। এক বল বিরতিতেই রিভার্স স্যুইপ করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে কুশল মেন্ডিসের হাতে ক্যাচ তুলে দিলেন। দুর্ভাগ্যবশত বল লাফ দিয়ে কুশলের হাতে জমা হওয়ার আগে লিটনের গ্লাভস ছুঁয়ে যায়। ২৬ বলে ২৮ রানের সম্ভাবনাময় ইনিংসের ইতি ঘটে।










