অবশেষে ঘুম ভাঙল বাটলারের!

জস বাটলারের ভেতর যেন এক দানব ঘুমিয়ে ছিল দীর্ঘদিন ধরে। অনেক দলের স্পর্শে এসে অবস্থার কোনো পরিবর্তন না হলেও, অবশেষে সেই দানবের ঘুম ভেঙেছে দিল্লি ক্যাপিটালসের সাথে। ১৭ ইনিংসের পর টি-টোয়েন্টিতে ফিফটি হাঁকালেন এই ইংলিশ তারকা। গর্জন তুললেন সেই চিরচেনা মেজাজে। 

জস বাটলারের ভেতর যেন এক দানব ঘুমিয়ে ছিল দীর্ঘদিন ধরে। অনেক দলের স্পর্শে এসে অবস্থার কোনো পরিবর্তন না হলেও, অবশেষে সেই দানবের ঘুম ভেঙেছে দিল্লি ক্যাপিটালসের সাথে। ১৭ ইনিংসের পর টি-টোয়েন্টিতে ফিফটি হাঁকালেন এই ইংলিশ তারকা। গর্জন তুললেন সেই চিরচেনা মেজাজে।

জস বাটলার সাদা বলের ক্রিকেটের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যাটার হিসেবেই বিবেচিত হয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। ইংল্যান্ডের রঙিন জার্সি হোক কিংবা অন্য কোনো লিগ, বাটলার সব জায়গাতেই ঝলক দেখিয়ে আসছেন। আর আইপিএলে তো তিনি কিংবদন্তীতুল্য।

তবে সময় তো আর একই ধারায় চলে না।  বাটলারও সেই সময়ের গোলকধাঁধাই পড়ে হারিয়ে ফেলেছিলেন নিজের ফর্মটা। গত বছরের সেপ্টেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে অর্ধশতক করেছিলেন। মাঝে ফিফটির খরায় কেটে গেল সাত মাস। অবশেষে যেন তাঁর ঘুম ভাঙলো।

আইপিএলে এসে প্রথম দুই ম্যাচেও গুজরাট টাইটান্সের জার্সি গায়ে তেমন কিছু করে দেখাতে পারেননি। তবে, দিল্লি ক্যাপিটালসকে পেয়েই জেগে উঠলেন। খেললেন ১৯০ স্ট্রাইকরেটের এক ঝড়ো ইনিংস।

সাই সুদর্শন আউট হওয়ার পর বাটলার ক্রিজে আসেন ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই। এরপরই চালিয়ে গেছেন তান্ডব।দিল্লির অধিনায়ক অক্ষর প্যাটেল আর সেরা সময় কাটাতে থাকা মুকেশ কুমার, কেউই দাঁড়াতে পারেননি বাটলার ঝড়ের সামনে।

কুলদ্বীপ যাদবের বলে আউট হয়ে ফেরার আগে খেলেছেন মাত্র ২৭ বল। তাতেই পাঁচ ছক্কা আর তিন চারে ৫২ রানের ইনিংস। অবশেষে ব্যাটে এসেছে সস্তির বর্ষন।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

Share via
Copy link