নতুন শাসক বৈভব, তাঁকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান!

৪২ বলে ১৪৪ রানের এক প্রলয়ঙ্করী ইনিংস খেললেন বৈভব সুরিয়াভানশি। যেন তাঁর আগমটা রেকর্ড ভাঙার জন্যই। বছর ১৪-এর ছেলেটা ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের মত মঞ্চে ৩৫ বলে শতক হাঁকিয়ে আলোড়ন তুলেছিল, এবার মাত্র ৩২ বলে শতক হাঁকিয়ে জানান দিল তাঁর জন্য সিংহাসনটা যেন তৈরি থাকে।

৪২ বলে ১৪৪ রানের এক প্রলয়ঙ্করী ইনিংস খেললেন বৈভব সুরিয়াভানশি। যেন তাঁর আগমটা রেকর্ড ভাঙার জন্যই। বছর ১৪-এর ছেলেটা ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের মত মঞ্চে ৩৫ বলে শতক হাঁকিয়ে আলোড়ন তুলেছিল, এবার মাত্র ৩২ বলে শতক হাঁকিয়ে জানান দিল তাঁর জন্য সিংহাসনটা যেন তৈরি থাকে।

এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারস টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ভারত এ দলের ম্যাচ। প্রিয়ানশ আরিয়ার সাথে ইনিংসের গোড়াপত্তণ করতে বৈভব যখন এলেন, তাঁকে শূন্যতেই ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল আরব আমিরাত, তবে ক্যাচ ধরতে না পারার মাশুলটা যে কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে তা কেউ গুনাক্ষরেও বোধহয় টের পায়নি তখনও।

বৈভব আমিরাতের বোলারদের নিয়ে স্রেফ ছেলেখেলা শুরু করলেন, একের পর এক বল আছড়ে পড়তে থাকল গ্যালারিতে। মাত্র ১৭ বলেই তুলে নিলেন অর্ধশতক। তবে এখানেই গল্পের দাড়ি টানলেন না তিনি।

ফিফটি পার করে যেন আরও বেশি ভয়ংকর হয়ে উঠল তাঁর ব্যাট। ছক্কা চারের পসরা সাজিয়ে এবার শতকের পথে পা বাড়ালেন। তিন অঙ্কের ওই ম্যাজিক নম্বরটা ছুঁতে বল খরচা করলেন মোটে ৩২টি। অর্থাৎ ফিফটিকে সেঞ্চুরিতে কনফার্ট করতে সময় নিলেন মাত্র ১৫টা বল।

শতক হাঁকানোর পরেও ব্যাটটা তৃপ্তির ঢেকুর তুলল না। বুলডুজার চালানোর মতো করে ব্যাট চালালেন, আমিরাত বোলারদের একেবারে গুড়িয়ে দিলেন একাহাতে। শেষ পর্যন্ত যদিও থামতে হলো তাঁকে। ততক্ষণে নিজের ব্যক্তিগত খাতায় রান দাঁড়িয়েছে ৪২ বলে ১৪৪।

১১ চার আর ১৫ ছক্কায় সাজানো ইনিংসের স্ট্রাইক রেট ছিল প্রায় ৩৪৩। এ যেন এক অপার্থিব জগতের কেউ ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালিয়েছে বাইশ গজে। পুরোটা সময় যা ইচ্ছে হয়েছে সেটাই করেছে। চলে যাওয়ার সময়  অদৃশ্য এক বার্তা ছুড়ে দিয়ে গেছে, এসেছে নতুন শাসক, তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

Share via
Copy link