তিন, ছয়, সাত যেখানেই নামান না কেন সেখানেই প্রত্যাশার ঘড়া উপুড় করেই দিয়ে যাচ্ছেন তিলক ভার্মা। কোনো পজিশনই যেন তাঁর জন্য বাধা তৈরি করতে পারছে না। জাত অলরাউন্ডার তো একেই বলে।
সেমিফাইনালের মঞ্চে ব্যাট হাতে নামলেন সাত নম্বরে। আরও একবার জায়গা বদলে সামনে এল নতুন চ্যালেঞ্জ। টিম ম্যানেজমেন্ট যেন তাঁকে নিয়ে ছেলেখেলা করছে, প্রতিনিয়ত একটা করে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে তাঁর জন্য। তবে তাতে কী, সবকিছু বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তিলক নিজের উপস্থিতির জানান দিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত।

শিভম দুবে যখন ফিরে যাচ্ছেন সাজঘরে, সেই পথ ধরেই তিলক মঞ্চে এলেন। দলের রান তখন ২১২। হাতে আছে ১৫ বল। তিলকের কাজটা এবারের জাত ফিনিশারের দৃশ্যে অভিনয় করা। সেটাই করে দেখালেন তিলক।
১৫ বলের মধ্যে সাতটা বল নিজের করে নিলেন। রান তুললেন ২১। ব্যাট করলেন ৩০০ স্ট্রাইক রেটে। যখন ফিরে যাচ্ছেন, দলের স্কোরবোর্ডে ২৩৬ রানের পাহাড় জমেছে।

খুব স্বল্প সময়ে ব্যাট করেও ইমপ্যাক্ট রেখেছেন তিলক। পজিশন বদলের অবিচার সহ্য করেও দলের স্বার্থে নিজেকে উজাড় করে দিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। যে পারে, সে সবখানেই পারে, এই কথাটা নিজের সঙ্গে জুড়ে নিয়েছেন।
Share via:











