তৃষ্ণার হ্যাটট্রিকে উড়ে গেল তিমুর!

তৃষ্ণা রানীর হ্যাট্রিকে পূর্ব তিমুরের জালে গুনে গুনে আটখানা গোল, অনূর্ধ্ব ২০ এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশের মেয়েরা। টানা দুই জয়ে চলছে শান্তি-সাগরিকাদের জয়রথ।

তৃষ্ণা রানীর হ্যাটট্রিকে পূর্ব তিমুরের জালে গুনে গুনে আটখানা গোল, অনূর্ধ্ব ২০ এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশের মেয়েরা। টানা দুই জয়ে চলছে শান্তি-সাগরিকাদের জয়রথ।

নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নেমে কিছুটা দুর্বল প্রতিপক্ষ তিমুরকে শুরু থেকেই চেপে ধরে বাংলাদেশ। একের পর এক আক্রমণ করলেও ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতায় কাঙ্ক্ষিত গোল আসছিল না কিছুতেই।

তবে ২০ মিনিটের মাথায় গোলের খাতা খোলেন শিখা। স্বপ্নার নেওয়া কর্নারকে হেডের মাধ্যমে গোলে পরিণত করেন। আর এরপর থেকেই শুরু হয় বাংলাদেশের গোল উৎসব।

৩২ মিনিটের মাথায় শান্তি মার্ডি করেন অবিশ্বাস্য গোল। কর্নার থেকে নেওয়া তাঁর শট সরাসরি প্রবেশ করে প্রতিপক্ষের জালে। এই গোলের ঠিক চার মিনিট পর আবারও শান্তির কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে হেড দিয়ে গোল করেন নবীরণ। আর হাফটাইমের শেষ মুহূর্তে হালি পূরণ করেন তৃষ্ণা রাণী।

বিরতি থেকে ফিরে এসে যেন আরও বেশি দুরন্ত বাংলার মেয়েরা। একের পর এক আক্রমণে দিশেহারা তখন তিমুর। ৫৭ মিনিটে পঞ্চম গোলের লিড পেয়ে যায় বাংলাদেশ, গোলের কারিগর তৃষ্ণা।

পরের গোল আসে ৭৩ মিনিটের মাথায়। গোলকিপারকে কাটিয়ে অনেকটা ফাঁকা জালেই সাগরিকার হানা। আর ৮২ মিনিটের মাথায় সাগরিকা বাড়ানো বলে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তৃষ্ণা।

তবে এতেও যেন তৃষ্ণা মেটেনি বাংলাদেশের। রেফারির শেষ মুহূর্তের বাঁশি বাজার আগেই আরও এক গোল এনে দেন মুনকি। বাংলাদেশ জয় পায় ৮-০ গোলে।

পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকতে পারলেই মূল পর্বে পা রাখবে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও সম্ভাবনা থাকবে। সেক্ষেত্রে সমীকরণের হিসাব মেলাতে হবে। তাই তো শুধু জিতলেই হবে, বড় ব্যবধানও রাখতে হবে। সেটাই যেন আজ করে দেখাল বাংলাদেশের মেয়েরা।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link