বিরাটের ওপরে সুরিয়া

মাত্র ১৪ বছর বয়সে ক্রিকেট বিশ্বে এত জনপ্রিয়তা পাওয়া খেলোয়াড় যেন গোটা ক্রিকেট ইতিহাসেই বিরল। অবশ্য তার থেকে যোগ্যই বা কে ছিল! ব্যাট হাতে একের পর এক রেকর্ড গড়া সুরিয়াভানশি এবার ছাপিয়ে গেলেন আধুনিক ক্রিকেটের সবচেয়ে উজ্জ্বলতম মহাতারকা বিরাট কোহলিকে।

ভারতীয় ক্রিকেটের আকাশে উজ্জ্বল হয়ে উঠছে উদীয়মান এক নক্ষত্র। নাম তার বৈভব সুরিয়াভানশি। মাত্র ১৪ বছর বয়সে ক্রিকেট বিশ্বে এত জনপ্রিয়তা পাওয়া খেলোয়াড় যেন গোটা ক্রিকেট ইতিহাসেই বিরল। অবশ্য তার থেকে যোগ্যই বা কে ছিল! ব্যাট হাতে একের পর এক রেকর্ড গড়া সুরিয়াভানশি এবার ছাপিয়ে গেলেন আধুনিক ক্রিকেটের সবচেয়ে উজ্জ্বলতম মহাতারকা বিরাট কোহলিকে।

বুলাওয়ের কুইনস স্পোর্টস ক্লাবে অনুষ্ঠিত গ্রুপ পর্বের সপ্তম ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে ভারত অনূর্ধ্ব ১৯ দল। ইনিংসের শুরু থেকেই বরাবরের মতোই আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে ব্যাট করতে দেখা যায় বৈভব সুরিয়াভানশিকে।

চার হাঁকিয়ে ছয় রানে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই তিনি যুব ওয়ানডেতে ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় বিরাট কোহলিকে পেছনে ফেলে দেন। তার থেকে খুব একটা দূরে নেই সরফরাজ খান কিংবা শুভমান গিলরাও।

এই রেকর্ড স্পর্শ করতে সুরিয়াভানশির লেগেছে মাত্র ১৯ ইনিংস, যেখানে একই পর্যায়ে পৌঁছাতে বিরাট কোহলির প্রয়োজন হয়েছিল ২৫ ইনিংস। বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে এটি নিঃসন্দেহে এক অনন্য কীর্তি।

এই ইনিংসের সুবাদে যুব ওয়ানডেতে সুরিয়াভানশির রান এখন ৯৭৯। বর্তমান ফর্ম ধরে রেখে নিজের প্রতিভার প্রতি সুবিচার করতে পারলে এই টুর্নামেন্টেই তিনি ছাড়িয়ে যাবেন সামনে থাকা সরফরাজ খান, শুভমান গিল কিংবা উন্মুক্ত চাঁদদের।

এখন পর্যন্ত যুব ওয়ানডেতে তিনটি শতক ও চারটি অর্ধ শতক রয়েছে সুরিয়াভানশির নামের পাশে। তার পারফরম্যান্সে সবচেয়ে বিস্ময়কর দিক হলো ধারাবাহিকতা। যা সাধারণত এত কম বয়সী ক্রিকেটারদের মধ্যে খুব কমই দেখা যায়।

নির্ভীক স্ট্রোকপ্লে, পরিণত শট নির্বাচন আর চাপের মুহূর্তে ঠান্ডা মাথায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়া, সব মিলিয়ে বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে তাকে আলাদা করে চেনাচ্ছে। যুব ওয়ানডেতে তার গড় ৫০ এরও বেশি, যা ওপেনার হিসেবে তার নির্ভরযোগ্যতার স্পষ্ট প্রমাণ।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link