বিরাট নাকি রাচিন, কার শুরুটা বেশি রঙিন?

যদিও বড় দলগুলোর বিপক্ষে রাচিনের পারফরম্যান্স বেশি দুর্দান্ত, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চার ইনিংসে ৭২ গড়ে ২১৬ রান করেছেন তিনি। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একবার ব্যাট করেই খেলেছেন ১১৬ রানের ইনিংস। পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও চল্লিশের বেশি গড়ে যথাক্রমে ১৭০ এবং ২১৬ রান করেছেন তিনি। 

আইসিসির ইভেন্ট মানেই যেন রাচিন রবীন্দ্রের সেঞ্চুরি উৎসব। বড় মঞ্চে তাঁর আগমন ঘটেছিল ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ দিয়ে। সেই টুর্নামেন্টে তিন তিনটা সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ছিলেন তিনি, ভেঙেছিলেন একের পর এক রেকর্ড। চলতি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও ধারাবাহিকতায় ছেদ পড়লো না, বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে নেমেই উপহার দিয়েছেন ১১২ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস।

দুর্দান্ত পারফরম করা তরুণদের সঙ্গে বিরাট কোহলির তুলনা করাটা এ যুগে স্বাভাবিক একটা কাজ, ঠিক কতটা ভাল করছেন যেন সেটাই বের করা হয় কোহলির পরিসংখ্যানের সাথে মিলিয়ে। কিউই ব্যাটারকেও সেজন্য বিরাটের বিপরীতে দাঁড়িপাল্লায় উঠতে হচ্ছে। ৩০ ওয়ানডে খেলা রবীন্দ্র সেসময়ের কোহলির চেয়ে এগিয়ে নাকি পিছিয়ে সেটাই বের করা হবে।

  • ব্যাটিং গড় এবং স্ট্রাইক রেট 

৩০ ম্যাচ শেষে রাচিনের ঝুলিতে আছে ১০৮২ রান, ব্যাটিং গড় ৪৩.২৫ আর স্ট্রাইক রেট প্রায় ১১০। অন্যদিকে কোহলির এ সময়ে মোট সংগ্রহ ছিল ১০৫৪ রান, গড় ৪৫.৮২ এবং স্ট্রাইক রেট ৮০।

যদিও বড় দলগুলোর বিপক্ষে রাচিনের পারফরম্যান্স বেশি দুর্দান্ত, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চার ইনিংসে ৭২ গড়ে ২১৬ রান করেছেন তিনি। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একবার ব্যাট করেই খেলেছেন ১১৬ রানের ইনিংস। পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও চল্লিশের বেশি গড়ে যথাক্রমে ১৭০ এবং ২১৬ রান করেছেন তিনি।

অন্যদিকে বিরাটের ৫৯১ রানই এসেছিল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, ১৫ ইনিংসে ৪৬ গড়ে রান করেছিলেন তিনি। এছাড়া বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ইনিংসে ২০৩ রান করেছেন তিনি।

  • পঞ্চাশোর্ধ ইনিংস

প্রথম ৩০ ওয়ানডে শেষে ভারতীয় কিংবদন্তির পঞ্চাশোর্ধ ইনিংস ছিল ১০টি। এর মধ্যে সেঞ্চুরি দুইটি এবং হাফসেঞ্চুরি আটটি। অন্যদিকে রাচিনের হাফসেঞ্চুরি এবং সেঞ্চুরি আছে সমান চারটি করে। অর্থাৎ বিরাটের চেয়ে পঞ্চাশোর্ধ ইনিংস কম হলেও তাঁর কনভারসন রেট প্রশংসনীয়।

  • দ্বিতীয় ইনিংসে পারফরম্যান্স 

রান তাড়া করার ক্ষেত্রে কিউই তরুণ ১৩ ইনিংস ব্যাট করেছেন, এসময় তিনি ৫০.৬৬ গড়ে এবং ১১৬.৬৯ স্ট্রাইক রেটে ৬০৮ রান করেছে। তাঁর তিনটি সেঞ্চুরিই এসেছে রান তাড়ার চাপ কাঁধে নিয়ে। সফল চেজের ক্ষেত্রে আবার তিনি ছয় ইনিংসে ৭৫.২০ গড়ে আর ১১৮.৬১ স্ট্রাইক রেটে ৩৭৬ রান করেছেন।

অপরদিকে কোহলি ১৪ ইনিংসে ৭৪২ রান করেছেন, ব্যাটিং গড় ৬৭.৪৫ এবং স্ট্রাইক রেটে ৮৩.৪৬। রান তাড়ায় দুইবার শতক আর পাঁচবার অর্ধশতক হাঁকিয়েছেন তিনি। আর সফল চেজের ক্ষেত্রে তাঁর ব্যাটিং গড় প্রায় ১০০! অবিশ্বাস্য বটে।

Share via
Copy link