নতুন মৌসুমের জন্য কেন্দ্রীয় চুক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এরপরই কিছু প্রশ্নও জেগেছে, জন্ম নিয়েছে বিতর্ক। নাহিদ রানাকে, মুস্তাফিজুর রহমানের সাথেই বি ক্যাটাগরিতে রাখা, শরিফুল ইসলাম কিংবা তানজিম হাসান সাকিবদের সি ক্যাটাগরি দেওয়া নিয়ে সমালোচনা চলছেই। তবে টেস্টে ক্রিকেটারদের টেনে আনার জন্যই মূলত এমন সিদ্ধান্ত।
এ প্লাস ক্যাটাগরি এবার ছিল না। এ থেকেই শুরু হয়েছে যেখানে ঠাঁই পেয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ এবং তাসকিন আহমেদ। যারা বেতন পাবেন আট লাখ টাকা করে। আবার দলের সেরা সদস্য মুস্তাফিজুর রহমানকে রাখা হয়েছে বি ক্যাটাগরিতে। প্রশ্ন আসে মিরাজরা কেন এত বেশি বেতন পাচ্ছেন?

কারণ মিরাজ টেস্ট খেলছেন, পারফর্ম করছেন। অন্যদিকে মুস্তাফিজ টেস্ট থেকে অনানুষ্ঠানিক অবসর নিয়েছেন। ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি নিয়মিত খেলছেন ঠিকই, তবে ওই যে টেস্টের মর্যাদা একটু আলাদা, একারণেই বি ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে তাঁকে। নাহিদ রানারের ক্ষেত্রে একই কথা প্রযোজ্য। সেই সাথে ১৫০ কিলোমিটার গতি তাঁকে বাড়তি চাহিদা এনে দিয়েছে।
এখানে মানদন্ডটা টেস্ট ফরম্যাট বনাম অন্যান্য। বিসিবি যেভাবে পে স্কেল সাজিয়েছে তা বোঝায় টেস্ট ক্রিকেটের মর্যাদা একটু বেশিই। দীর্ঘ সময় ধরে খেলোয়াড়দের মাঠে থাকতে হয়, শারীরিক কিংবা মানসিক চাপটা তাই একটু বেশিই। একারণেই বেতনটাও বেশি। বিশ্বের সব দেশেই টেস্ট ক্রিকেটাররা বাড়তি সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকেন।

তাই তো মিরাজরা সর্বোচ্চ ক্যাটাগরিতে বিবেচ্য হন, রঙিন পোশাকে নিয়মিত মুখ না হয়েও নাহিদ থাকেন মুস্তাফিজের সাথেই, আবার তানজিম সাকিব কিংবা শরিফুলদের মাপা হয় সি ক্যাটাগরিতে। আর এর পেছনের কারণটা এক টেস্ট ক্রিকেট।











