ইশানের পৌষ মাস, সাঞ্জুর সর্বনাশ

ক্রিকেট নায়ক কিংবা খলনায়ককে বেছে নেয় তার পারফরম্যান্স দিয়েই। ব্যাট কিংবা বল হাতে যিনি মাঠে আলো ছড়ান, মুহূর্তেই ক্রিকেট বিশ্ব তাকে বরণ করে নেয় ফুলেল শুভেচ্ছায়। আর সেই আয়োজনের ভীড়ে হয়তো চাপা পড়ে যায় অন্য কোনো চরিত্র। নীরবে নিভৃতে স্কোরকার্ড থেকে সরে সেই চরিত্রের স্থায়ীত্ব। ইশান কিশান আর সাঞ্জু স্যামসনের গল্পটা যেন ঠিক তেমনই।

ক্রিকেট নায়ক কিংবা খলনায়ককে বেছে নেয় তার পারফরম্যান্স দিয়েই। ব্যাট কিংবা বল হাতে যিনি মাঠে আলো ছড়ান, মুহূর্তেই ক্রিকেট বিশ্ব তাকে বরণ করে নেয় ফুলেল শুভেচ্ছায়। আর সেই আয়োজনের ভীড়ে হয়তো চাপা পড়ে যায় অন্য কোনো চরিত্র। নীরবে নিভৃতে স্কোরকার্ড থেকে সরে যায় সেই চরিত্রের স্থায়ীত্ব। ইশান কিশান আর সাঞ্জু স্যামসনের গল্পটা যেন ঠিক তেমনই।

বিশ্বকাপের আদিলগ্নে চূড়ান্ত প্রস্তুতি স্বরূপ নিউজিল্যান্ড সিরিজের চার খানা ম্যাচ ইতোমধ্যে সমাপ্ত। একটি ম্যাচেও হাসেনি সাঞ্জুর ব্যাট। চার ম্যাচে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ করেছেন ২৪ রান মাত্র। দলের অন্য সবাই যখন অপ্রতিরোধ্য সব ইনিংস খেলে বিশ্বমঞ্চের রণক্ষেত্রে নামার আগে ঝালিয়ে নিচ্ছেন তলোয়ারটা, সাঞ্জু যেন দক্ষ হলেও রণকৌশল ভুলে যাওয়া এক অসহায় যোদ্ধা।

নিজ শহরের স্টেডিয়ামে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নামেন সাঞ্জু। তাই তাকে ঘিরে প্রত্যাশাটাও ছিল আকাশসম। কিন্তু সাঞ্জু যেন কোনোক্রমেই পারলেন না বিশ্বকাপের আগে একটু হলেও নিজের জাত চেনাতে।

অতঃপর তিলক ভার্মার ইনজুরির কল্যাণে দলে ফেরা ইশান কিশান দুই হস্তভরে লুফে নিলেন সুযোগটা। হয়ে ওঠলেন গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র। ৪২ বলে তুলে নেন নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি শতক।

দলে ফিরে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই বাজিমাত করেছিলেন ইশান। ২০৯ রান তাড়া করতে নেমে খেলেছিলেন ৩২ বলে ৭৬ রানের এক অনবদ্য ইনিংস। তাও বোলিং শক্তিমত্তা বাড়ানোর দোহায় দিয়ে চতুর্থ ম্যাচে বসানো হয় তাকে।

কিন্তু সিরিজের শেষ ম্যাচে আবার সুযোগ পেয়েই একদম বাজিমাত করে বসলেন ভারতীয় এই ব্যাটার। বিশ্বকাপে তিলক ফিরলেও নিজের জায়গাটা ঠিকই পাকাপোক্ত করে নিলেন।

আর সেই খেসারত দিতে হবে সাঞ্জু স্যামসনকে। এমন চোখ ধাঁধানো পারফরম্যান্সের পর ইশানকে বাদ দেওয়ার কথা এখন ভাবাও দুষ্কর। বিশ্বমঞ্চে তাই ভারতের জার্সি গায়ে স্টাম্পের পিছনে দেখা মিলবে ইশানেরই।

লেখক পরিচিতি

ক্রীড়াচর্চা হোক কাব্য-কথায়!

Share via
Copy link