মুস্তাফিজকে বাদ না দিলেই চলত!

ভারত-বাংলাদেশ ইস্যুকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ আফ্রিকার ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েন ক্রিকেটে এখন ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে। আর এই ঘটনার মূল হিসেবে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়াটাকেই দোষী করছেন ভারতীয় কংগ্রেস নেতা শশী থারু।

ভারত-বাংলাদেশ ইস্যুকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েন ক্রিকেটে এখন ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে। আর এই ঘটনার মূল হিসেবে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়াটাকেই দোষী করছেন ভারতীয় কংগ্রেস নেতা শশী থারু।

তিনি বলেন, ‘এভাবে খেলার সাথে রাজনীতি জড়িয়ে যাওয়া অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়াটাই ছিল প্রথম অনুচিত কাজ।’

মূলত এক মুস্তাফিজকে নিরাপত্তা দিতে না পারা ভারত কীভাবে গোটা বাংলাদেশ দল ও সর্বপরি সাংবাদিক ও সমর্থকদের নিরাপত্তা দিবে, এটা নিয়েই উদ্বেগ ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)। যা যৌক্তিক বলেই মনে করেন ভারতীয় এই নেতা।

তিনি এই অপ্রত্যাশিত ঘটনার ফলে ভারতের হয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে ক্রিকেট হওয়া উচিৎ দেশগুলোর মধ্যে একতা ও সংহতি তৈরি করার মাধ্যম। কিন্তু সেই ক্রিকেটেই এভাবে রাজনীতির আস্ফালন ঘটা খুবই নিন্দনীয় ব্যাপার।

তিনি বলেন, ‘আমাদের উচিত বোঝাপড়ায় আসা। ক্রিকেট আমাদের একত্রিত করার মাধ্যম। সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার না।’ এই বিষয়ে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) সচেতন হওয়ার আশা ব্যক্ত করেন।

তাঁর মতে, বিশ্বক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে আইসিসির উচিৎ সবার সাথে সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে যোগাযোগ করা। অতি দ্রুত এসকল দ্বন্দ্ব মিটিয়ে একত্রিত হওয়ার আহবান জানান শশী।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link