বিপিএলে বিসিবির ‘রিল্যাক্সড’ মুডে থাকার বিপদ

বিসিবির মতো প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে আসার পরও কেন এতটা ‘রিল্যাক্স’ ভাব, তা নিয়ে ক্রিকেটপাড়ায় আলোচনা শুরু হয়েছে।

মাঠে বল গড়ালেও, আয়োজন ও ব্যবস্থাপনার প্রশ্নে শুরুতেই সমালোচনার মুখে পড়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসর। নানা চড়াই-উতরাই, নাটক আর অনিশ্চয়তা পেরিয়ে অবশেষে মাঠে গড়াল দেশের একমাত্র সো-কল্ড ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট আসর।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খেলা শুরু হলেও আয়োজনের দিক থেকে শুরুতেই চোখে পড়েছে অস্বস্তিকর চিত্র। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ মানেই জাঁকজমকপূর্ণ ট্রফি উন্মোচন—এটাই বিশ্বজুড়ে প্রচলিত রেওয়াজ। কিন্তু বিপিএলের দ্বাদশ আসরে সেই চিত্র পুরোপুরি উল্টো। বিদেশ থেকে নির্ধারিত সময়ে এসে না পৌঁছানোয় ট্রফি ছাড়াই শুরু হয়েছে এবারের আসর।

শুধু ট্রফিই নয়, স্টেডিয়ামের জন্য নির্ধারিত এলইডি বোর্ডও বেনাপোল সীমান্তে আটকে আছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিপিএলের গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইফতেখার রহমান মিঠু।

এদিকে চট্টগ্রাম রয়্যালস দলের দায়িত্ব সরাসরি নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ফ্র্যাঞ্চাইজি সংকটের পর বিসিবির এমন সিদ্ধান্তে অন্তত ক্রিকেটারদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বেতন, সুযোগ-সুবিধা নিয়ে শঙ্কা কাটায় দলটির খেলোয়াড়রা মাঠের খেলায় মনোযোগ দিতে পারছেন বলে জানা গেছে।

তবে বিসিবি দায়িত্ব নেওয়ার পরও প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে ব্যবস্থাপনা নিয়ে। এখনও ‘রিল্যাক্স’ লেখা বাসেই মাঠে যাতায়াত করছে চট্টগ্রাম রয়্যালসের খেলোয়াড়রা। বিসিবির মতো প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে আসার পরও কেন এতটা ‘রিল্যাক্স’ ভাব, তা নিয়ে ক্রিকেটপাড়ায় আলোচনা শুরু হয়েছে।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link