তিন থেকে চারে গেলেন বাবর আজম। তবে ব্যাটে রান আর এলো না। ব্যর্থতার শেকল ছাড়ার শ্লোক যেন কোনোভাবেই মনে করতে পারছেন না তিনি। তাতেই প্রশ্ন উঠছে, বিশ্বকাপে এই বাবর কি দুশ্চিন্তার কারণ হবেন?
অধিনায়ক সালমান আলী আঘা অবশ্য ভরসার হাত রাখছেন বাবরের কাঁধে। সময় দিতে চান তাঁকে, সমর্থকদের কাছেও আর্জি জানিয়েছেন বাবরের ফেরার জন্য অপেক্ষা করতে। ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ‘আমি একদিন এমন এক প্রেস কনফারেন্সে যেতে চাই, সেখানে আমাকে বাবর আজম সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে না।’
সালমান আরও বলেন, ‘দলে আরও ১৪ জন খেলোয়াড় আছেন, ব্যাটসম্যানরা আছেন, তাই তাঁদেরকেও ভাবুন এবং তাঁদের নিয়েও কথা বলুন। বাবরকে ছেড়ে দিন, সময় দিন এবং ও ব্যাটিংয়ের দিকে মনোযোগ দিক।’

সালমান সময় দেওয়ার কথা বললেন ঠিকই, তবে ম্যাচের দিন নিজেই সেটা দিলেন কি বাবরকে? ব্যর্থতার পর ব্যর্থতা তিন নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ পজিশনে উপহার দিচ্ছেন বাবর। বিগ ব্যাশে পাননি সফলতার কোনো খোঁজ। তাতেই ভরসার বার্তা আসেনি অধিনায়কের কাছ থেকেও।
সালমান এক প্রকার ত্যক্ত-বিরক্ত হয়েই নেমে পড়লেন তিন নম্বর পজিশনে। সফলও হলেন বলা চলে। ২৭ বলে ৩৯ রানের ইনিংস এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে। চার নম্বরে বাবর শুরুটা খারাপ করেননি, তবে সময়ের সঙ্গে রানের গতি শ্লথ হয়ে এসেছে। ধীরগতির ব্যাটিং রোগটাও যায়নি। পরীক্ষার ফলাফল তাই শূন্য।
এখানেই আসে প্রশ্ন, এমন ফর্মহীন বাবর বিশ্বকাপে কি করতে পারবেন? দিনশেষে কি দলের বোঝা তিনি হবেন না? তবে অগাধ বিশ্বাস আছে পাকিস্তান ম্যানেজমেন্ট থেকে নির্বাচকদের। অধিনায়কও চেয়েছেন সময়, তবে এখানেই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। সময় যদি দেওয়াই হবে, তবে তিনে কেন নয়? ওখানেই তো দীর্ঘসময় ধরে খেলে এসেছেন। বিশ্বকাপের আগে এই চার নম্বরে নতুন বাবরকে খুঁজে পাওয়ার বৃথা চেষ্টা না করলেই কি হতো না!












