সিয়াটল স্টেডিয়ামে ইনজুরি টাইমের শেষ মুহূর্তে নেমে আসে ভয়াবহ নাটক। ম্যাচের ৯৩তম মিনিটে শোজা খালিলজাদেহের সম্ভাব্য জয়সূচক গোল ইরানকে স্বপ্ন দেখাচ্ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই গোল বাতিল হওয়ায় ১-১ ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় ইরানকে।
ম্যাচের একেবারে শেষদিকে একটি সেট-পিস থেকে তৈরি হয় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। ফ্রি-কিক থেকে আসা বল মিশরের ডিফেন্স ঠিকভাবে ক্লিয়ার করতে না পারায় রিবাউন্ডে বল জালে পাঠান খালিলজাদেহ। গোলের পর তিনি উচ্ছ্বাসে জার্সি খুলে ফেলেন এবং হলুদ কার্ড দেখেন।
কিন্তু সেই আনন্দ খুব বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। রেফারি মাঠের পাশের ভিএআর রিভিউর মাধ্যমে পুরো আক্রমণ শুরুর মুহূর্তটি আবার পর্যবেক্ষণ করেন।

ফুটবলের নিয়ম অনুযায়ী, অফসাইড নির্ধারণ করা হয় সেই মুহূর্তে যখন সতীর্থ খেলোয়াড় শেষবার বলটি স্পর্শ করেন বা খেলাটি তৈরি করেন। সেট-পিস থেকে আসা বলের সময় ইরানের দুই আক্রমণভাগের খেলোয়াড় শেষ ডিফেন্ডারের পেছনে অবস্থান করছিলেন।
এরপর বলটি হেড বা ফ্লিকে গোলমুখে গেলে সেই মুহূর্ত থেকেই অফসাইডের পরিস্থিতি কার্যকর হয়ে যায়। যদিও তারা সরাসরি বল স্পর্শ করেননি, কিন্তু ডিফেন্ডারদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে খেলায় প্রভাব ফেলেন।
ফুটবলের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো অফসাইড অবস্থানের খেলোয়াড় যদি প্রতিপক্ষকে চ্যালেঞ্জ করে বা খেলায় প্রভাব ফেলে, তবে সেটিকে বেআইনি হিসেবে ধরা হয়।

এই কারণেই শেষ মুহূর্তের গোলটি বাতিল করা হয়। ফলাফল, ম্যাচ শেষ হয় ১-১ ব্যবধানে। ইরানের উদযাপন রূপ নেয় গভীর হতাশায়, আর শেষ ষোলোতে জায়গা করে নেয় মিশর। ভাগ্যের কাছে আর নিয়মের ফাঁদে হারে ইরান।










