এ+ ক্যাটাগরিতে জায়গা হারাবেন রোহিত-কোহলি!

সম্প্রতি আইসিসি ওয়ানডে ব্যাটার র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে উঠেছেন রোহিত শর্মা  এবং বিরাট কোহলি। ভারতীয় ক্রিকেটের এই দুই মহারথী এখনো কোটি ভক্তের হৃদয়ে রাজত্ব করছেন। কিন্তু সেই রাজত্ব কি বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার(বিসিসিআই) কেন্দ্রীয় চুক্তিতেও একই রকম অব্যাহত থাকবে? আগামী ২২ ডিসেম্বর বসতে যাওয়া বিসিসিআইয়ের বার্ষিক সাধারণ সভায় এ প্রশ্নের উত্তর মিলবে।

বিসিসিআইয়ের কেন্দ্রীয় চুক্তি মূলত খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স অনুযায়ী পুরস্কৃত করে। চারটি গ্রেড, এ+, এ, বি, সি-এর মাধ্যমে খেলোয়াড়দের বার্ষিক রিটেইনারি ফি দেওয়া হয়। এ+ গ্রেডের খেলোয়াড়দের বার্ষিক বেতন ৭ কোটি রুপি, সঙ্গে ম্যাচ ফি ও অন্যান্য সুবিধা।

বর্তমানে এই গ্রেডে আছেন জাসপ্রিত বুমরাহ, রবীন্দ্র জাদেজা, রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি। তবে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেওয়ায় রোহিত ও কোহলির বর্তমান ফরম্যাট কেবল ওয়ানডে, তাই তো প্রশ্ন এ+ গ্রেড ধরে রাখা কি সম্ভব হবে তাদের জন্য?

 ভারতের কেন্দ্রীয় চুক্তির গ্রেড নির্ধারণের  মূল বিষয়গুলো থাকে, ফরম্যাট অগ্রাধিকার, পারফরম্যান্স ও ধারাবাহিকতা, এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে অংশগ্রহণ। টেস্ট ক্রিকেটকে অগ্রাধিকার দেয় এমন খেলোয়াড়রা সাধারণত উচ্চ গ্রেডে থাকেন। ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে একজন খেলোয়াড়কে কমপক্ষে তিনটি টেস্ট,  আটটি ওয়ানডে বা ১০টি টি-টোয়েন্টি খেলতে হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে অংশগ্রহণকে কেন্দ্রীয় চুক্তির শর্ত হিসেবে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ফলে রোহিত-কোহলির স্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।তবুও, ভারতীয় ক্রিকেটের এই দুই মহারথীর   মর্যাদা ও ভক্তদের আবেগ বোর্ডের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলবে কি না, এটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link