ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা আর আবরার আহমেদের দ্বৈরথ মাঠ ছাপিয়ে প্রবেশ করল ধারাভাষ্য কক্ষেও। হাসারাঙ্গার সেলিব্রেশন কপি করলেন দুই ধারাভাষ্যকার! ওয়াকার ইউনুসের সাথে রাসেল আরনল্ড।
তবে সাবেক পাকিস্তানি স্পিড স্টার ওয়াকার বললেন, ‘আমার আঙুলের সমস্যা, তাই সেলিব্রেশনটা ঠিক মতো করতে পারছি না।’ চোখে মুখে একটু অস্বস্তির ছাপ। ক্যামেরা জুম করে দেখা গেল, ওয়াকারের সত্যিই একটা আঙুল নেই!

আবরার আহমেদ প্রথম ইনিংসে হাসারাঙ্গাকে ফেরানোর পর উদযাপন করলেন ঠিক হাসারাঙ্গার স্টাইলেই। আর তখনই বোঝা গেল, মাঠের লড়াই যতই কঠিন হোক না কেন, উদযাপনের লড়াইটা আলাদা ঢঙেই জমে উঠবে।
শ্রীলঙ্কা থামে ১৩৩ রানে। এর পর মাঠে হাসারাঙ্গার জাদু। ফখর জামানের দুর্দান্ত শটকে ডাইভ করে লুফে নিলেন লঙ্কান লেগ স্পিনার। এরপরই, আবরারের মতো মাথা ঝাকিয়ে সেলিব্রেশন। নিজের উদযাপন নকল হয়ে যাওয়া চোখের সামনে দেখা সেই হাসারাঙ্গা এবার কাউন্টার দিলেন আবরার আহমেদকে।

উদযাপন আর পাল্টা উদযাপনের লড়াই, যা মাঠে শুরু, তা পৌঁছালো ধারাভাষ্যকক্ষে। দুই দেশের দুই সাবেক ক্রিকেটারের ছোঁয়ায় মুহূর্তটা হয়ে উঠল আরো জীবন্ত, আরও নাটকীয়।
ম্যাচ শেষে আবরার-হাসারাঙ্গা দ্বৈরথ ভুলে আবার বন্ধু বনে গেলেন। জড়িয়ে ধরলেন, খুনসুটি করলেন। মাঠের লড়াই মাঠেই ফেলে এসেছেন তাঁরা। এটাই ক্রিকেটের সৌন্দর্য্য।










