এক দশক পর ভারতের মাটিতে খেলতে নামবে জিম্বাবুয়ে!

একটা স্বপ্নের মত যাত্রা। জিম্বাবুয়ে যেন আছে এক রঙিন ঘোরের ভেতর। বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হাত থেকে ছোবল মেরে কেড়ে নিয়েছে এক একটি জয়। অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কার মত গ্রুপে থাকার পরও সিকান্দার রাজার জিম্বাবুয়ে। অভাবনীয় সব কীর্তি গড়েছে তারা। প্রথমবারের মত সুপার এইটে উঠেছে আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। কিন্তু এখানেই যত বিপত্তি।

সুপার এইটে জিম্বাবুয়ের সকল ম্যাচ খেলতে হবে ভারতের মাটিতে। কিন্তু বর্তমান দলের স্রেফ দুইজন খেলোয়াড় ছাড়া আর বাকি কারো অভিজ্ঞতা নেই ভারতের মাটিতে ম্যাচ খেলার। সেই দুই জনের একজন সিকান্দার রাজা, আরেকজন গ্রায়েম ক্রেমার। যদিও ব্লেসিং মুজারাবানি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে ছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর ডেরায়। কিন্তু তারও নেই ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা।

কেননা গত এক দশকে ভারতের মাটিতে কোন দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলার সুযোগ হয়ে ওঠেনি জিম্বাবুয়ের। এমনকি বৈশ্বিক কোন আসর ছাড়া জিম্বাবুয়ে শেষ ভারতের মাটিতে সিরিজ খেলেছিল ২০০২ সালে। এর মধ্যে ২০০৬ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, ২০১১ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও ২০১৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে জিম্বাবুয়ে পা রেখেছিল ভারতের মাটিতে।

প্রায় দুই দশক ধরে ভারতে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলার সুযোগই পায়নি জিম্বাবুয়ে। গত এক দশকে দেশটির উইকেটের কন্ডিশন, পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি কেমন হয়- তা সম্পর্কে বিন্দুমাত্র জ্ঞান নেই জিম্বাবুয়ে দলের ১৩ খেলোয়াড়ের। সেই তাদেরই এবার সুপার এইটের কঠিন চ্যালেঞ্জে নামতে হবে, একেবারে অচেনা এক ভূবনে।

লড়তে হবে দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে। চ্যালেঞ্জটা কঠিন জিম্বাবুয়ের জন্য। তবে সিকান্দার রাজার দল তো ইতিহাস গড়তে চায়। তারা তো এই অচেনা আঙিনাতেও নিজেদের ছাপ ফেলে যেতে চায়। অন্তত গোটা দলের এবার স্পৃহা অন্য মাত্রায়। এমন অবহেলার একটা জবাব তো দেওয়া চাই।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link