ভারতের বিপক্ষে চোখে চোখ রেখে লড়াই করল জিম্বাবুয়ে!

জিম্বাবুয়েকে ৭২ রানে হারিয়ে সেমিফাইনালের আশা প্রবলভাবেই বাঁচিয়ে রেখেছে ভারত। সমীকরণের মারপ্যাঁচ ছাপিয়ে এখন কেবল একটা জয়ের অপেক্ষা। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে অঘোষিত কোয়ার্টার ফাইনালে হারাতে পারলেই মিলবে সেমির টিকিট।

জিম্বাবুয়েকে ৭২ রানে হারিয়ে সেমিফাইনালের আশা প্রবলভাবেই বাঁচিয়ে রেখেছে ভারত। সমীকরণের মারপ্যাঁচ ছাপিয়ে এখন কেবল একটা জয়ের অপেক্ষা। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে অঘোষিত কোয়ার্টার ফাইনালে হারাতে পারলেই মিলবে সেমির টিকিট।

ভারতের সামনে জয়ের বিকল্প কিছু নেই। তবে টস ভাগ্যে জিতেছিল জিম্বাবুয়ে। সিকান্দার রাজার কাছ থেকে সিদ্ধান্ত আসে ফিল্ডিং করার। যেন খাল কেটে কুমির এনেছে তারা। অভিষেক শর্মার সাথে ইনিংস গোড়াপত্তন করতে এসেছিলেন সাঞ্জু স্যামসন। দুজনেই শুরু থেকেই চড়াও হলেন। মাঝপথে সাঞ্জু ফিরে গেলেও ফর্মহীনতার শিকল ছেড়ে বেরিয়ে এলেন অভিষেক, খেললেন ৫৫ রানের ইনিংস।

পরের সময়টা একই গতিতে ছুঁটেছে ভারতের রানের চাকা। ইশান কিষাণ, সুরিয়াকুমার যাদবরা ক্যামিও খেলেছেন। শেষটাতে পূর্ণতা দিয়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া এবং তিলক ভার্মা মিলে। সবার অবদানে ভারতের স্কোরবোর্ডে জমা হয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ ২৫৬ রান।

এই রানের পাহাড় টপকানো জিম্বাবুয়ের কাছে রীতিমতো আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়ার সমান। তাই তো জয়ের চেষ্টা না করে নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটায় খেলেছে তারা। ওপেনাররা পুরো পাওয়ার প্লে-টাই কাটিয়েছেন, রান এসেছে ৪৪।

এরপরের গল্প ব্রায়ান বেনেটের। এক প্রান্ত আগলে রেখেছেন পুরোটা সময়। ভারতের বোলিং আক্রমণ যতই শক্তিশালী, তবে বেনেট তোড়াই কেয়ার। নিজের স্বভাবজাত ব্যাট করে গেছেন। এই ম্যাচ বের করে ফেলা এক অসাধ্য কাজ, তবে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েনি জিম্বাবুয়ে, ভেঙে পড়তে দেননি ব্রায়ান বেনেট। তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে ৯৭ রানের হার না মানা ইনিংস। তবে সেটা কেবলই ব্যবধান কমিয়েছে। তাতেই জিম্বাবুয়ে থেমেছে ১৮৪ রানে। ভারত ম্যাচ জিতে নিয়েছে ৭২ রানের ব্যবধানে।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link