ভারতের জন্য একজন কোচই যথেষ্ট

ভারতের কোনো ক্রিকেটারকে দেশের বাইরের কোনো ফ্রাঞ্চাইজি লিগে খেলতে দেখাই যায় না। অর্থাৎ হাতে গোনা কয়েকটি সিরিজ এবং আইসিসির কোনো ইভেন্ট ছাড়া ভারতের ক্রিকেটারদের দেশেই থাকতে হয় বেশির ভাগ সময়। তাইতো ইংল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটার গ্রায়েম সোয়ান মনে করেন সীমিত ওভার এবং টেস্ট ফরম্যাটের জন্য দুটি আলাদা কোচের প্রয়োজন নেই ভারতের।

বোর্ড অফ কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) প্রধান কোচের জন্য নতুন আবেদন গ্রহণ করবেন ২৭ মে পর্যন্ত। সেই সাথে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর বর্তমান কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের দায়িত্ব টিকে থাকার সম্ভাবনা ক্রমশই কমে যাচ্ছে।

ভারতের কোচ সম্পর্কে সোয়ান বলেন, ‘শুধুমাত্র ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) খেলা এবং অন্যান্য কোনো টি-টোয়েন্টি লিগ না খেলার কারণে ভারতের খেলোয়াড়দের সারা বছর দেশেই থাকতে হয়। তাই তাঁদের আলাদা কোচের কোনো প্রয়োজন নেই।’

সাবেক ভারতীয় ওপেনার গৌতম গম্ভীর, যিনি বর্তমানে কলকাতা নাইট রাইডার্সের সাথে দলের মেন্টর হিসেবে রয়েছেন, দ্রাবিড়ের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার জন্য প্রধান কোচ হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন। কেননা অস্ট্রেলিয়ান রিকি পন্টিং এবং জাস্টিন ল্যাঙ্গার এবং জিম্বাবুয়ের অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারের মতো স্বনামধন্য বিদেশী কোচরা নিজেদেরকে সরিয়ে নিয়েছেন সেখান থেকে।

ইংল্যান্ড ভিন্ন ফরম্যাটের জন্য ভিন্ন কোচিং শুরু করেছে। যেখানে ব্রেন্ডন ম্যাককালাম লাল বলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ম্যাথু মট সাদা বলের ফরম্যাটের দায়িত্ব পালন করছেন। দক্ষিণ আফ্রিকা ও পাকিস্তানেও সীমিত ওভার এবং লাল বলের ক্রিকেটের জন্য আলাদা কোচ রয়েছে।

৪৫ বছর বয়সী সোয়ান বলেন, ‘ইংল্যান্ডে, আমাদের তিনটি দল আছে। যারা সারা বছর জুড়ে বিশ্বের সবখানেই ম্যাচ খেলে থাকে। কারণ আমাদের গ্রীষ্ম ভিন্ন সময়ে হয়। আর এটিই ইংল্যান্ডের জন্য আলাদা কোচ নির্ধারণের অন্যতম প্রধান কারণ। ভারতে এটির প্রয়োজন নেই।’ সোয়ান ২০০০ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের হয়ে ৬০ টি টেস্ট, ৭৯ টি ওয়ানডে এবং ৩৯ টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন।

সোয়ান আরও যোগ করেন, ‘একজন ভালো কোচই একজন ভালো কোচ। তিনি তিন ফরম্যাটের জন্যই সঠিক ব্যক্তি। তিনি যদি সাদা বলের ক্রিকেটে বিশেষজ্ঞ হয়, তাহলে আপনি তাকে সবখানেই ব্যবহার করতে পারেন।’

বিসিসিআই সেক্রেটারি জয় শাহও নাকচ করে দিয়েছেন ভারতের ক্রিকেটে ভিন্ন ফরম্যাটের ভিন্ন কোচের প্রস্তাব। তাইতো এখন দেখার বিষয় ভারতের ক্রিকেটের গুরুদায়িত্ব  উঠতে চলেছে কার কাঁধে?

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link