ঈগল ইজ ব্যাক

পাকিস্তান সুপার লিগে পুরনো রুপেই ফিরছেন বা-হাতি এই পেসার। নতুন বলে তিনি দেখাচ্ছেন নিজের কারিশমা। 

‘ঈগল ইজ ব্যাক’ বেশ আত্মবিশ্বাসের সাথেই বলেছিলেন লাহোর কালান্দার্সের টিম ডিরেক্টর সামিন রানা। সেই ভরসার প্রতিদান দিতেই যেন শাহিন শাহ আফ্রিদি মাঠে নেমেছিলেন করাচি কিংসের বিপক্ষে। সেই চিরচেনা ভয়ংকর সুইংয়ে তিনি কুপোকাত করেছেন করাচির টপ অর্ডারকে। সেটাই যে হারিয়ে গিয়েছিল, সেই হৃদয়ে কাঁপন ধরানো শাহিন তবে সত্যিই ফিরেছেন তো?

শাহিন শাহ আফ্রিদিকে ধরা হয় এই সময়ে পাকিস্তানের প্রিমিয়াম বোলার। নতুন বল হাতে তিনি প্রতিপক্ষে পরিকল্পনা তছনছ করে দেবেন। তার সুইংয়ের ভীতি তটস্থ করে রাখবে সবাইকে। সেটাই তো শাহিন শাহ আফ্রিদির মূল পরিচয়। সেই পরিচয়টা যেন মলিন হতে বসেছিল।

পাকিস্তানের অন্দরমহলের নানা কোন্দল। শাহিনের কাছ থেকে অধিনায়কত্ব কেড়ে নেওয়া। আর সেই সাথে ইনজুরি। এই সব কিছুই শাহিনের পারফরমেন্সে ভীষণ বাজে প্রভাব ফেলেছিল। তবে পাকিস্তান সুপার লিগে পুরনো রুপেই ফিরছেন বা-হাতি এই পেসার। নতুন বলে তিনি দেখাচ্ছেন নিজের কারিশমা।

কোয়েট্টা গ্ল্যাডিয়েটর্সের বিপক্ষে তিনি প্রথম স্পেলেই নিয়েছিলেন দুই উইকেট। সেখানেই যেন ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় কোয়েট্টা। সেই একই ধারা বজায় থাকল করাচি কিংসের বিপক্ষেও। তবে তিনি যে ছন্দে ফিরছেন, সে প্রমাণ দিতেই যেন এদিন প্রথম ওভারেই তুলে নিলেন দু’খানা উইকেট।

করাচির ভিনদেশি টপঅর্ডারকে এক লহমায় তিনি ধুলোয় মিশিয়ে দিলেন। ডেভিড ওয়ার্নারকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করলেন। সেই বলেও খানিকটা সুইংয়ের দেখা মিলল। কিন্তু পরের উইকেটে শাহিনের সেই ট্রেডমার্ক ইনসুইংগার। এবার জেমস ভিন্সের উইকেট ছত্রখান।

তিন বলের ব্যবধানে, শাহিনের ঝুলিতে দুই উইকেট। সেখানেই ২০০ ছাড়ানো লক্ষ্য তাড়া করবার সকল পরিকল্পনা বানচাল হয়ে যায় করাচির। তাইতো ঈগল যে ফিরেছেন স্বরুপে, সে কথা বলতে আর দ্বিধা নেই। স্রেফ এই ছন্দটা ধারাবাহিক হওয়ার অপেক্ষা।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link