শান্তই এখন ওপেনিংয়ে বাংলাদেশের শেষ ভরসা

এর আগে মোটে চারটি টেস্টে ওপেনিং করার অভিজ্ঞতা আছে নাজমুল হোসেন শান্তর। সে অভিজ্ঞতাগুলো অবশ্য সুখকর নয়।

সোজা পেসারদের বিপক্ষে নেমে গেলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। মেঘলা আকাশের নিচে গতির সাথে সখ্যতা করতে চাইলেন আগেভাগেই। সমুদ্রের কোল ঘেষা গল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তার উপরই যে থাকবে ইনিংস উদ্বোধনের দায়িত্ব।

গল টেস্টে শান্তকে দেখা যাবে ওপেনিংয়ে। অনুশীলনের ধরণ আর স্কোয়াডে থাকা বিকল্প অন্তত সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে। স্কোয়াডে কার্যত ওপেনার আছেন দু’জন। একজন এনামুল হক বিজয়, আরেকজন সাদমান ইসলাম।

খুব বেশি ওপেনিং বিকল্প নিয়ে শ্রীলঙ্কা আসেনি বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট। তাইতো গল টেস্টে শান্তর হাতে উঠতে পারে ইনিংস উদ্বোধনের দায়িত্ব। এর আগে মোটে চারটি টেস্টে ওপেনিং করার অভিজ্ঞতা আছে তার। সে অভিজ্ঞতাগুলো অবশ্য সুখকর নয়।

সর্বোচ্চ ৬৭ রানের একটি ইনিংস শান্ত খেলেছিলেন ভারতের বিপক্ষে চট্টগ্রামে। আর বাকি থাকা ছয় ইনিংসে সর্বসাকুল্যে ৪৬ রান নিতে সক্ষম হয়েছিলেন শান্ত। অতএব ওপেনিংয়ের দায়িত্ব ঠিক কতটুকু সামলাতে পারবেন তিনি তা বলা বেশ মুশকিল।

যদিও একটা মৃদু শঙ্কা রয়েছে একাদশে মেহেদী হাসান মিরাজের না খেলার। সে শঙ্কার ফলে বাংলাদেশ নিঃসন্দেহে একজন ব্যাটারকে খেলাতে চাইবে। তেমনটি হলে বিজয়ের কপাল খুললেও খুলতে পারে।

তাছাড়া বোলিং বিকল্প বাড়াতে শান্তর সাথে মুমিনুল হককেও বল হাতে অনুশীলন করতে দেখা গেছে। সময় গড়ালেই বরং পরিষ্কার হবে, শান্তর ইনিংস উদ্বোধনের চারিদিকে ওঠা সোরগোল ঠিক কতটা বাস্তব।

তাছাড়া স্কোয়াডের বাকি জায়গাগুলোতে বিশেষ পরিবর্তন আসার সুযোগ নেই বললেই চলে। তবে মেঘলা আকাশ ও বৃষ্টির সম্ভাবনা বিবেচনায় তিন পেসার নিয়ে বাংলাদেশ দল নামতে পারে গল টেস্টে। সেদিক থেকে হাসান মাহমুদ আর নাহিদ রানা প্রাধান্য পেতে চলেছেন। তৃতীয় পেসার হিসেবে এবাদত হোসেন পুরো ছন্দে থাকলে তার খেলার সম্ভবনাই অধিক।

যদিও ম্যাচের আগেরদিনই স্পষ্ট হবে একাদশের চিত্র। সেই সাথে আবহাওয়ার উপর নির্ভর করবে সকল সমীকরণ আর পরিকল্পনা।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link