রোস্টন চেজ, রিটায়ার্ড আউটের ‘খলনায়ক’

চেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবার হলেও, রিটায়ার্ড আউটের অভিজ্ঞতা এর আগেও পেয়েছেন। আবুধাবি নাইট রাইডার্সের হয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে একইভাবে মাঠ ছেড়েছিলেন তিনি।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ‘রিটায়ার্ড আউট’! বিরল এক লজ্জার কীর্তি। আর সেখানে প্রথম টেস্ট প্লেয়িং ক্রিকেটার হিসেবে নাম লেখালেন রোস্টন চেজ। পাকিস্তানের বিপক্ষে আমেরিকার লওডারহিলে এই অদ্ভুত ঘটনার সাক্ষী হল ক্রিকেট বিশ্ব।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত ব্যাটসম্যানরা মোট ১০ ধরনের উপায়ে আউট হয়েছেন। এর মধ্যে বোল্ড, ক্যাচ আউট, রান আউট বেশি দেখা গেলেও ‘রিটায়ার্ড আউট’ ঘটনা অনেকটাই বিরল। বিশেষ করে টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর কোনো ক্রিকেটারের ক্ষেত্রে এমন নজির ছিল না।

সেই রেকর্ড ভাঙলেন রোস্টন চেজ। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ‘রিটায়ার্ড আউট’ হয়ে ইতিহাসে নাম লেখান ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই অলরাউন্ডার।

ম্যাচে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে ক্রিজে নামেন চেজ, অ্যালিক অ্যাথানেজ আউট হওয়ার পর। তখন ম্যাচ জিততে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দরকার ছিল ৭ ওভারে ৮০ রান। কিন্তু সময় ও পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে ব্যর্থ হন চেজ। তিনি ১২ বল খেলে ১৫ রান করার পর স্বেচ্ছায় মাঠ ছাড়েন।

এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ক্যারিবিয়ানদের সমীকরণ দাঁড়ায় ১৮ বলে ৪১ রান। শেষ পর্যন্ত তারা ম্যাচ হারে ১৩ রানে, এবং সিরিজও হাতছাড়া হয়। রোস্টন চেজ সম্ভবত সিদ্ধান্ত নিতে একটু বেশিই দেরি করে ফেলেছিলেন।

চেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবার হলেও, রিটায়ার্ড আউটের অভিজ্ঞতা এর আগেও পেয়েছেন। আবুধাবি নাইট রাইডার্সের হয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে একইভাবে মাঠ ছেড়েছিলেন তিনি।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ দুইবার রিটায়ার্ড আউট হয়েছেন ফ্রান্সের হেভিট জ্যাকসন। এছাড়া একবার করে এমন আউট হয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের আলী নাসের, বতসোয়ানার ভিনু বালকৃষ্ণান এবং গ্রিসের ক্রিস্টোডুলাস বোগদানোস।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link