সাকিবের এইচএসসি পরীক্ষা, বিকল্প তাই মুশফিক!

সাকিব নিজের ক্যারিয়ারে এশিয়া কাপ মিস করলেও, কখনও আইসিসি ইভেন্ট মিস করেননি। ২০০৬ সালে অভিষেকের পর থেকে ২০২৪ পর্যন্ত, সব গুলো আইসিসি ইভেন্ট খেলেন সাকিব। তাঁর প্রথম আইসিসি ইভেন্ট ২০০৬ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, এরপর প্রথম যেটা মিস করেন সেটা ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি।

২০০৮ সালের এশিয়া কাপটা বাংলাদেশের জন্য ছিলো অন্যরকম। দলের চিরচেনা নায়ক সাকিব আল হাসান তখন এই আসরে ছিলেন না। না, ইনজুরি নয়, ফর্মের কোনো সমস্যা নয়।

কারণটা ছিল একেবারেই অদ্ভুত—উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা! ২০০৬ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত প্রায় সব মেগা টুর্নামেন্টে বাংলাদেশকে ব্যাট-বলে নেতৃত্ব দেওয়া এই অলরাউন্ডার তখন পড়াশোনার জন্য মাঠের বাইরে। শেষমেষ পরীক্ষায় তিনি জিপিএ ৩.৯০ পেয়ে পাশ করেন।

সাকিব না থাকায় মিডল অর্ডারে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। সেই শূন্যতা পূরণ করতে দলে আসেন মুশফিকুর রহিম। হ্যা, মুশফিক তখন জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন। ওয়ানডেতে ধীমান ঘোষকে দেওয়া হয়েছিল সুযোগ। ধীমানও টানা তিনটি সিরিজ খেলেছেন, কিন্তু বিশেষ কিছু করতে পারেননি। ম্যানেজমেন্ট বাধ্য হয়েছিল মুশফিককে দলে ফেরানোর জন্য।

সেটা ছিল মুশফিকের ক্যারিয়ারের জন্য লাইফলাইন! কারণ, তখন ক্যারিয়ারটা প্রায় হারাতে বসেছিলেন পরবর্তী সময়ের মিস্টার ডিপেন্ডেবল। এমনকি শোনা যায়, খোদ বোর্ডের শীর্ষ স্থানীয় এক কর্মকর্তাও মুশফিককে ফেরানোর বিরোধী ছিলেন। যাই হোক, সেবার পাকিস্তানে শুধু মিডল অর্ডারের ভারসাম্য রক্ষা করলেন না, কিপিংও সামলালেন। তবে, তার পারফরম্যান্স টুর্নামেন্টে খুব চোখে পড়ার মতো হয়নি।

ধীমানের আর জাতীয় দলে ফেরা হয়নি। তিনি ‘দেশের জন্য অনেক করেছি’ বলে নিষিদ্ধ ইন্ডিয়ান ক্রিকেট লিগ (আইসিএল) খেলতে চলে গিয়েছিলেন। আর মুশফিকুর রহিম নিজের ব্যাটিং সামর্থ্যের আমূল পরিবর্তন এনে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে এখনও সার্ভিস দিয়ে চলেছেন।

অন্যদিকে, সাকিব নিজের ক্যারিয়ারে এশিয়া কাপ মিস করলেও, কখনও আইসিসি ইভেন্ট মিস করেননি। ২০০৬ সালে অভিষেকের পর থেকে ২০২৪ পর্যন্ত, সব গুলো আইসিসি ইভেন্ট খেলেন সাকিব। তাঁর প্রথম আইসিসি ইভেন্ট ২০০৬ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, এরপর প্রথম যেটা মিস করেন সেটা ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি।

Share via
Copy link