আমরা সেফ না — জামালের ভিডিওতে আতঙ্ক ছড়াল

বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ জানা যায়, বুধবার সকাল নয়টার বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অল নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (আনফা) ও  হোটেল কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দিয়েছে।

‘আমরা বের হয়ে যাই, আমরা তো এখানে সেফ না।’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জামাল ভুঁইয়ার ভিডিও পোস্ট। পেছন থেকে চিৎকার করছেন হোটেল অ্যাটেনডেন্টরা। জানালার পাশেই দাউ দাউ আগুনের লেলিহান শিখা উড়ছে। কখন কিংবা কবে তাঁরা দেশের বিমানে উঠতে পারবেন, তাঁরও কোনো নিশ্চয়তা ছিল না সন্ধ্যা পর্যন্তও।

বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ জানা যায়, বুধবার সকাল নয়টার বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অল নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (আনফা) ও  হোটেল কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দিয়েছে। কাঠমাণ্ডুতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন খেলোয়াড়দের খোঁজখবর রাখছে।

বাংলাদেশ দলের ম্যাচ বাতিল হয়েছে আগেই। চারটা বাজে কাঠমাণ্ডু থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে বিমান ওড়ার কথা থাকলেও বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই মুহূর্তে, ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইট বন্ধ রয়েছে নেপালে। ফলে আরও ঘোরতর অনিশ্চয়তা নেমে আসে। বলা হচ্ছে, নিরাপদে টিম হোটেলে আছে বাংলাদেশ ফুটবল দল।

কিন্তু, খোদ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া যে ভিডিও পোস্ট করে আবার সরিয়ে নিয়েছেন, সেটা নিয়ে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলাই যায়। নেপালি আন্দোলনকারীরা টিম হোটেলের সামনে আসলেও হোটেলে প্রবেশ করতে পারেনি। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি, যদিও হোটেল রুমের জানালার কয়েক হাত দূরেই বিস্ফোরণ ঘটে আগুন লেগে যায়, সেখান থেকে ধোয়া আসছে টিম হোটেলের দিকে। জামালের পোস্ট করা ভিডিওতেই খেলোয়াড়দের সরিয়ে অন্য ঘরে নিয়ে যেতে দেখা যায়।

এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় দলের ফুটবলাররা সংকিত বোধ করতেই পারেন। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট করেও পরবর্তীতে সরিয়ে নিয়েছেন। নিশ্চয়ই কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ইতিবাচক আশ্বাসই পেয়েছেন। তবে, নেপালে চলমান আন্দোলন যেদিকে মোড় নিচ্ছে – সেখানে দেশের ফুটবলারা দেশে না ফেরা পর্যন্ত কিছুই বলা যাচ্ছে না।

Share via
Copy link