কাঁটাতারের উত্তেজনা ছড়ায় ক্রিকেট ময়দানেও। সেই মহারণে আবারও মুখোমুখি হতে চলেছে ভারত ও পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের এশিয়া কাপের মঞ্চে এই নিয়ে চতুর্থবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হচ্ছে মঞ্চস্থ। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ভারতের পাল্লা ভারি পাকিস্তানের বিপক্ষে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের এশিয়া কাপেও এর ব্যত্যয় ঘটেনি।
২০১৬ সালে প্রথমবার অনুষ্ঠিত হয়েছিল টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের এশিয়া কাপ। প্রথম আসরের সেই স্মৃতি পাকিস্তান নিশ্চয়ই চায় মুছে ফেলতে। স্রেফ ৮৩ রানে সেবার অলআউট হয়েছিল পাকিস্তান। সেটাই ছিল তাদের ইতিহাসের সর্বনিম্ন সংগ্রহ। এমন বিষাদময় এক রেকর্ড গড়ে সেবার পাকিস্তান অবশ্য লড়াই করেছিল।
এই স্বল্প রানের টার্গেট টপকাতেও ভারতের রীতিমত ঘাম ছুটে গিয়েছিল। পাঁচ উইকেট হারাতে হয় ভারতকে। সেই আসরে অবশ্য ভারতই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এরপর আবার ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত হয় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের এশিয়া কাপ। সেই আয়োজনে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মঞ্চস্থ হয়েছে দু’বার।

একবার গ্রুপ পর্বে আরেকবার সুপার ফোরে। সেই আসরে অবশ্য দুই দলের জয়ের পাল্লা ছিল সমান। গ্রুপ পর্বের ম্যাচে আবারও প্রথমে ব্যাটিং করে পাকিস্তান। সেই ম্যাচে অন্তত লজ্জাজনক না হলেও মধ্য সারির একটা সংগ্রহ গড়েছিল পাকিস্তান। ১৪৭ রানে অলআউট হয়েছিল তারা দুবাইয়ের উইকেটে।
আবারও ভারত জয় পায় পাঁচ উইকেটে। হার্দিক পান্ডিয়ার ১৭ বলে ৩৩ রানের ঝড়ো ইনিংসটির কল্যাণে জয়ের পথটা সুগম হয়েছিল ভারতের। তবে সেই আসরে সুপার ফোরের ম্যাচটা ভারতের জন্যে ছিল হতাশার। দুবাইয়ের উইকেটে ভারত প্রথমে ব্যাট করে ১৮১ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে। কিন্তু এদফা আর পাকিস্তানকে আটকে রাখতে পারেনি টিম ইন্ডিয়া। ১৮২ রানের লক্ষ্যমাত্রা টপকে যায় পাকিস্তান।
মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৫১ বলে ৭১ রানের অ্যাংকরিং ইনিংস জয়ের ভীত গড়ে দেয়। সেই ভীতের উপর দাঁড়িয়ে মোহাম্মদ নাওয়াজের ২০ বলে ৪২ রানের ইনিংসটি জয় পেতে সহয়তা করেছে পাকিস্তানকে। যার ফলশ্রুতিতে শেষ অবধি সেবারের আসরের ফাইনাল খেলেছিল বাবর আজমের পাকিস্তান।

কিন্তু শ্রীলঙ্কার কাছে শিরোপা হয়েছিল হাতছাড়া। এবারও অন্তত দু’বার ভারত-পাকিস্তানের লড়াই নিশ্চিত। তাইতো প্রথম ম্যাচে নিজেদের পাল্লা ভারিই রাখতে চাইবে ভারত। কিন্তু পাকিস্তানও সমতায় ফেরার পূর্ণ উদ্দ্যম নিয়েই নামবে মাঠে। হাইভোল্টেজ ম্যাচে জম্পেশ লড়াইয়ের অপেক্ষা কেবল।











